কোম্পানিটি জানিয়েছে, তাদের নতুন চকলেট সিরিজের ৪ লাখ ১৩ হাজার ৭৯৩টি বার বহনকারী ট্রাকটি ইতালির কেন্দ্রীয় অঞ্চলের উৎপাদন কেন্দ্র থেকে রওনা হয়ে পোল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। কিন্তু পথেই সেটি ‘নিখোঁজ’ হয়ে যায়।
তবে ঠিক কোথায় ট্রাকটি হারিয়ে গেছে, তা প্রকাশ করেনি নেসলে।
শনিবার বিকেল পর্যন্ত গাড়ি এবং পণ্যসামগ্রীর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
‘কিটক্যাট বিক্রি ট্র্যাক করা সম্ভব’
নেসলে বলছে, কিটক্যাট বিক্রি ট্র্যাক করা সম্ভব।
নিজেদের বিজ্ঞাপনী স্লোগানের কথা উল্লেখ করে ব্র্যান্ডটির একজন মুখপাত্র বলেন,
আমরা সবসময় মানুষকে কিটক্যাটের সাথে একটু বিরতি নিতে উৎসাহিত করেছি। কিন্তু মনে হচ্ছে চোরেরা বার্তাটি একটু বেশিই আক্ষরিকভাবে নিয়েছে এবং ১২ টনের বেশি চকলেট নিয়ে সত্যিই ব্রেক নিয়ে ফেলেছে।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, এই চুরির ঘটনার কারণে ইউরোপের কিছু দেশে সুপারমার্কেটের তাকগুলোতে এই ক্রাঞ্চি ওয়েফার চকলেট বারের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
আরও পড়ুন: হার্টের অসুখ থাকলে ডার্ক চকলেট কতটা উপকারী?
এছাড়াও তারা সতর্ক করেছে যে, চুরি হওয়া চকলেটগুলো ‘অননুমোদিত বিক্রয় চ্যানেলে’ প্রবেশ করতে পারে। তবে এমন হলে প্রতিটি বারে থাকা ইউনিক ব্যাচ কোড স্ক্যান করে চুরি হওয়া পণ্য শনাক্ত করা সম্ভব বলে জানিয়েছে নেসলে।
কার্গো চুরি বাড়ছে
কার্গো চুরির ঘটনা বৃদ্ধির বিষয়েও সতর্ক করেছে কোম্পানিটি।
কিটক্যাট কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘অপরাধীদের রুচি যে অসাধারণ, তা আমরা স্বীকার করি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, কার্গো চুরি এখন সব আকারের ব্যবসার জন্যই বাড়তে থাকা একটি সমস্যা।’
তারা আরও বলেছে, ‘নিয়মিতভাবে আরও জটিল কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে (চুরির জন্য)। তাই আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা প্রকাশ্যে আনতে চেয়েছি, যাতে এই ক্রমবর্ধমান অপরাধ প্রবণতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ে।’
সূত্র: ডয়েচে ভেলে
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·