ট্রাম্প আরও ঘোষণা করেন যে, ইরানের অবশিষ্ট সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ নিয়ে তিনি মোটেও চিন্তিত নন, কারণ সেগুলো মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছে এবং সেখানে পৌঁছানো সম্ভব নয়। অন্যদিকে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দম্ভভরে বলেন যে, বর্তমান সংঘাতে ইসরাইল তেহরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ক্ষমতাকে ‘চূর্ণবিচূর্ণ’ করে দিয়েছে।
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু উভয়ের মন্তব্য থেকেই বোঝা যায় যে, যুদ্ধ শেষের দিকে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে একটি সম্ভাব্য স্থল অভিযানের জন্য সৈন্য সমাবেশ করে চলেছে।
আরও পড়ুন:ইরানের স্কুলে হামলায় ব্যবহৃত মার্কিন অস্ত্রটি পরীক্ষিত ছিল না: রিপোর্ট
‘না, (ইরানিদের) কোনো চুক্তি করতে হবে না।’ হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প একথা বলেন। পরে হোয়াইট হাউস থেকে ঘোষণা করা হয় যে, প্রেসিডেন্ট বুধবার রাত ৯টায় যুদ্ধটি নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
‘যখন আমাদের মনে হবে যে তারা প্রস্তর যুগে ফিরে গেছে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না, তখন চুক্তি হোক বা না হোক, আমরা চলে যাব।’ তিনি বলেন।
এদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গত বছর হামলা চালিয়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইতিমধ্যেই নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে এবং মঙ্গলবার এর আগে তিনি বলেছেন যে, তিনি ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুদের দিকে মনোনিবেশ করছেন না। সুতরাং, সামরিকভাবে ট্রাম্প আর কী অর্জন করতে চাইছেন, তা স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলে ইরানও একই পথ অনুসরণ করবে কি না, সেটাও এখনো অস্পষ্ট।
ট্রাম্প বলেন, ‘ তবে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে, কারণ আমি যতটা চুক্তি করতে চাই, তার চেয়ে ইরানই বেশি চায়।’ ট্রাম্প যোগ করেন।
‘ বেশ অল্প সময়ের মধ্যেই এই যুদ্ধ শেষ হবে। তারা বহু বছর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।’ তিনি আরও বলেন।
‘হয়তো এখন থেকে অনেক দিন পর, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হবে, তখন আমার মতো একজন প্রেসিডেন্ট আসবেন, এবং তিনি সেখানে গিয়ে তাদের আবার উচিত শিক্ষা দেবেন।’
আরও পড়ুন:মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছেন হাজার হাজার মার্কিন প্যারাট্রুপার
ট্রাম্প স্বীকার করেন যে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধটি চূড়ান্ত নাও হতে পারে।
সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরাইল
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·