চিত্রা নদীর পাড়ে নিখোঁজ ২ শিশুর একজনের মরদেহ উদ্ধার

২ সপ্তাহ আগে
নড়াইলের কালিয়ায় চিত্রা নদীর পাড়ে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হন রাফিয়া খাতুনের (৬) এবং আরিয়া খাতুন (৭) নামের দুই শিশু। শনিবার(২৮ মার্চ) সকালের দিকে উপজেলার মহিষখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে নদী থেকে রাফিয়া খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা গেলেও আরিয়ার এখনো খোঁজ মেলেনি।

রাফিয়া খাতুন কালিয়া উপজেলার মহিষখোলা গ্রামের এনায়েত শেখর মেয়ে। আর নিখোঁজ প্রতিবেশী আরিয়া খাতুন ওই একই এলাকার বাবার আব্দুল্লাহ শেখের মেয়ে।

 

শনিবার রাতে মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী।  তিনি বলেন, নিখোঁজ দুই শিশুর একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। আরেকজনের খোঁজ চলছে।

 

ভুক্তভোগী পরিবার, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহিষখোলা গ্রামের চিত্রা নদীর পাড়ে শিশু রাফিয়া ও আরিয়াদের বাড়ি। প্রতিবেশী ও সমবয়সী হওয়ায় একসঙ্গে বেড়ে ওঠা তাদের।  শনিবার সকাল থেকেই নদীপাড়ে খেলছিলেন এই দুই শিশু। বেলা এগারোটার দিকে পরিবারের লোকজন তাদের দেখতে না পেয়ে খোঁজখুঁজি শুরু করেন। এসময় সম্ভব্য সকল জায়গায় খোঁজ করেও তাঁদের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

 

আরও পড়ুন: মায়ের সঙ্গে গঙ্গাস্নানে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

 

এরপর বিকেল তিনটার দিকে তাদের বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার সামনে যাদবপুর এলাকায় চিত্রা নদীতে একটি শিশুর মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে মরদেহটি রাফিয়ার বলে নিশ্চিত করে পরিবার।

 

এসময় স্থানীয়ভাবে মরদেহটি উদ্ধার করে বাড়িতে আনা হয়। পরে নদীপাড়ে গিয়ে দুই শিশুর জুতা পড়ে থাকতে দেখে স্বজনরা। এরপর বিকেল থেকে নদীতে গিয়ে নিখোঁজ আরিয়াকে খুঁজছেন স্বজনরা। তবে এখনো তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

 

আরও পড়ুন: ‘মা আমাকে নিয়ে যাও’ বলে কবরের পাশে শিশুর কান্না

 

নড়াইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার হুমায়ুন কবীর বলেন, নিখোঁজের সন্ধান করতে খুলনার একটি ডুবুরি দলকে খবর দেয়া হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) ভোরে তারা আসার কথা রয়েছে, এলে উদ্ধার অভিযান শুরু হবে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন