চাচাকে হত্যার দায়ে ভাতিজার মৃত্যুদণ্ড

৩ সপ্তাহ আগে
চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামসুন্নাহারের আদালতে আলোচিত সিদ্দিকুর রহমান হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এতে অভিযুক্ত ভাতিজা সারোয়ার আলমকে মৃত্যুদণ্ড একই সঙ্গে নগদ এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন বিচারক সামছুন্নাহার।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে আদালতে আসামির উপস্থিতিতে এই রায় দেন তিনি।


এর আগে, ২০২০ সালের ১০ নভেম্বর রাতে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের শাহরাস্তি উপজেলার রাঢ়া রাজাপুর এলাকার একটি ড্রাম থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির হাত-পা কাটা কাঁথা মোড়ানো বীভৎস একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর প্রথমে শাহরাস্তি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে পুলিশ। পরে ওই থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আব্দুল আউয়াল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হন। একপর্যায়ে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআইয়ের সহযোগিতা নিয়ে অজ্ঞাতনামা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হন।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মরদেহ উদ্ধারের একদিন আগে ঘটনার শিকার সিদ্দিকুর রহমান (২৮) হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার হাজী পাম্প স্টেশন পাশের বাসিন্দা তিনি। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তার আপন ভাতিজা সারোয়ার আলমের (৩৫) হাতে নৃশংসভাবে খুন হন তিনি। পরে পুলিশ অভিযুক্ত সারোয়ার আলমকে গ্রেফতার এবং আদালতের হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।


আরও পড়ুন: কুঠার দিয়ে স্বামীকে হত্যা করা স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড


এ সময় আসামি আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচা সিদ্দিকুর রহমানকে হত্যা করেন তিনি। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে একটি ড্রামের ভেতর তা সংরক্ষণ করা হয়। পরে সুযোগ বুঝে কুমিল্লা দক্ষিণের ঘটনাস্থল থেকে পিকআপে করে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্জনস্থানে ফেলে দেয়া হয়।


চাঁদপুরের পিপি কুহিনূর বেগম জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ মামলার সাক্ষী এবং শুনানি শেষে সোমবার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামসুন্নাহার আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। এতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড একই সঙ্গে নগদ একলাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন বিচারক। পরে আদালত থেকে পুলিশি প্রহরায় তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।


এ নিয়ে বিগত ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর সময় সংবাদ বিশেষ রিপোর্ট প্রচার করেছিল।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন