চরম সংকটেও রংপুরে পাম্পের তেল চলে যাচ্ছে বোতল-জারে

২ সপ্তাহ আগে
রংপুরের জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম ভেঙে বোতল বা জারে করে অধিক পরিমাণ তেল বিক্রি করায় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মোটরসাইকেলে কাঙ্ক্ষিত তেল পাচ্ছেন না চালকরা।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর এলাকার দুটি তেলের পাম্পে এমন চিত্র দেখা যায়। পাম্পগুলোতে পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে গ্রাহকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

 

সরেজমিনে পাম্পগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, অনেকেই বোতল বা জারে করে অধিক পরিমাণে তেল নিয়ে যাচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিযোগ অস্বীকার করে পাম্প কর্তৃপক্ষের একজন বলেন, ‘সিরিয়াল অনুযায়ী শুধুমাত্র মোটরসাইকেলগুলোতেই পেট্রোল দেয়া হচ্ছে। কোনো প্রকার বোতল বা জারে তেল দেয়া হচ্ছে না।’

 

কর্তৃপক্ষের এমন দাবির উল্টো চিত্র তুলে ধরেন লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রাহকরা। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে অপেক্ষায় থাকা এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, ‘আমরা লাইনে দাঁড়িয়ে এক এক করে তেল নেয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু যারা বোতল বা ৫-৬ লিটারের জার এনেছেন, তারা সরাসরি নিয়ম না মেনে এবং লাইনে না দাঁড়িয়ে অধিক পরিমাণ তেল নিচ্ছেন।’

 

আরও পড়ুন: ১২ ঘণ্টা পর শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত, ৮ জেলায় জ্বালানি সরবরাহ শুরু

 

আরেকজন গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘যারা বোতলে তেল নিচ্ছেন, তারা কি আসলেই তাদের যানবাহনের জন্য নিচ্ছেন? কারণ, খোলাবাজারে আমাদের পেট্রোল ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা এবং অকটেন ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা লিটারে কিনতে হচ্ছে। খোলাবাজারে চড়া দাম হওয়ার পরও সবসময় তেল পাওয়া যায় না। তাই আমরা পাম্পে আসি, লাইনে দাঁড়াই; কিন্তু এখানে এসেও তেল পাই না।’

 

এদিকে, তেলের সরবরাহ কম থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে পাম্প কর্তৃপক্ষ। তারা জানায়, ‘চাহিদার তুলনায় আমরা তেল খুবই কম পাচ্ছি। দুদিন আগে আমাদের পেট্রোল দেয়া হয়েছিল আড়াই হাজার লিটার, আজকে দেয়া হয়েছে ৩ হাজার লিটার। মাত্র ৫০০ লিটার বৃদ্ধি করায় তা দিয়ে আমরা সবার চাহিদা মেটাতে পারছি না। তবে আমাদের এখানে ডিজেলের ঘাটতি নেই বললেই চলে।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন