অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘ইফতার,তারাবি আর সেহরিতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে পারি; সেই চেষ্টা আমাদের রয়েছে। বিদ্যুৎতের ঘাটতি রয়েছে। সেটাকে কিভাবে সুন্দর ব্যবস্থাপনা করে জনদুর্ভোগ কমানো যায় তা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। দেশবাসীকে বলবো, আমাদের একটু সময় দিতে হবে। ধৈর্যধারণ করতে হবে। বিদ্যুৎ বিভাগে পরিকল্পিনা অনুযায়ী নানা সংকট, সমস্যা সমাধান আমরা করতো পারবো।
বোরো মৌসুমে রেশনিং করে হলেও চাষিদের বিদ্যুৎ সরবারহ নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজানের পরেই সেচের মৌসুম। কৃষকদের বিদ্যুৎ নিশ্চিতে কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলেছি। অন্য জায়গা থেকে রেশনিং করে হলেও সেচের মৌসুমে কৃষকদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। সেচ মৌসুমে যাতে কৃষকেরা প্রয়োজনী অনুযায়ী বিদ্যুৎ পান; এটা নিশ্চিত করাটাই আমাদের প্রধান কাজ।
আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিংয়ের চূড়ান্ত ধাপ সম্পন্ন
এর আগে, সার্কিট হাউজের মিলনায়তনে জেলার বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। সেখানে জেলার বিদ্যুৎ বিভাগের নানা সংকট ও সম্ভাবনার নানা তথ্য উপস্থাপন করেন কর্মকর্তারা। সভায় এসব সমস্যা সমাধানে প্রতিমন্ত্রী জেলার বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশে থাকার আহ্বান জানান। এসময় পল্লী বিদ্যুৎ ও ওজোপাডিকোর বিভাগীয় ও জেলার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
]]>

৩ সপ্তাহ আগে
৫







Bengali (BD) ·
English (US) ·