বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই নতুন লিগ মডেল নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল।
তামিম জানান, ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটের আদলে প্রতিটি দলেরই থাকবে প্রথম ও দ্বিতীয় একাদশ। দ্বিতীয় একাদশ মূলত এমন খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত হবে, যারা প্রথম দলে নিয়মিত সুযোগ পান না।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটা নির্দিষ্ট স্তরের খেলোয়াড়রাই সব টুর্নামেন্টে খেলে। যারা জাতীয় দল, বিপিএল বা শীর্ষ পর্যায়ে আছে, তারাই বারবার সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু নিচের স্তরের খেলোয়াড়দের জন্য তেমন কোনো প্রতিযোগিতামূলক প্ল্যাটফর্ম নেই। সেই কারণেই দ্বিতীয় একাদশের লিগ চালুর সিদ্ধান্ত।’
আরও পড়ুন: মিরপুর স্টেডিয়ামে সোলার সিস্টেম ও দর্শকদের জন্য শেড বানানোর উদ্যোগ বিসিবির
তামিম আরও বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ইনশাআল্লাহ সব ঠিক থাকলে এই মৌসুম থেকেই শুরু করব। কাউন্টি ক্রিকেটের মতোই প্রতিটি দলের ফার্স্ট ইলেভেন ও সেকেন্ড ইলেভেন থাকবে।’
নতুন এই কাঠামোর ফলে অন্তত ১৫০ থেকে ২০০ জন নতুন ক্রিকেটারের প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানান তিনি। দ্বিতীয় একাদশের ম্যাচগুলো তিন দিনের ফরম্যাটে আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। তামিমের মতে, এই উদ্যোগ ঘরোয়া ক্রিকেটের দীর্ঘদিনের ‘পিকনিক সংস্কৃতি’ কমাতে সাহায্য করবে।
তিনি বলেন, ‘আগে অনেক সময় বিশেষ চাহিদা অনুযায়ী খেলোয়াড় আনা-নেওয়া করতে হতো। এখন আর সেটা লাগবে না। দ্বিতীয় একাদশেই প্রয়োজনীয় সব স্কিলের খেলোয়াড় থাকবে, যারা নিয়মিত ম্যাচ খেলবে এবং পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রথম দলে জায়গা পাবে।’
আরও পড়ুন: ৩ মে'র পর বিসিবি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু, পদত্যাগের কথা ভাবছেন না তামিম
তিনি আরও জানান, দ্বিতীয় একাদশের ক্রিকেটাররাও ম্যাচ ফি এবং অন্যান্য সব সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি জাতীয় ক্রিকেট লিগে আবারও হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিক কাঠামো ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিসিবির এই নতুন উদ্যোগকে ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য একটি কাঠামোগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে নতুন সুযোগের দরজা খুলে দিতে পারে।
]]>
৫ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·