খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৮ সালে উপজেলা সমবায় কার্যালয় থেকে নিবন্ধন নিয়ে ভোলদীঘী গ্রামে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় এক যুগ কার্যক্রম ঠিকঠাক থাকলেও ২০২১ সালে এসে থমকে যায় সব। ভোলদীঘী গ্রামের জাকির হোসেন জানান, নিজের ও পরিবারের সঞ্চিত ২১ লাখ টাকা এই সমিতিতে রেখেছিলেন তিনি। এখন টাকা চাইতে গেলে কাউকেই পাচ্ছেন না।
একই গ্রামের আব্দুল হক, খাদিজা বেগম ও জাহানারা বেগমের মতো শত শত মানুষ তাঁদের পরিবারের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে এখন অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, যেকোনো মূল্যে তাঁদের কষ্টের টাকা ফেরত দেওয়া হোক।
অভিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন আত্মগোপনে থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সমিতির সভাপতি দুলাল পাটোয়ারী টাকা নিয়ে বিল্লাল হোসেনের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি জানান, বিল্লাল পালিয়ে যাওয়ার পর গ্রাহকরা সভাপতির বিরুদ্ধে আদালতে ৪টি মামলা করেছেন, যার দুটি বর্তমানে চলমান। এছাড়া বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে একটি মামলা চলছে। সভাপতি বলেন, 'বিল্লাল ফেরত না আসা পর্যন্ত এই টাকার বিষয়ে আমি কোনো সমাধান দেখছি না।'
আরও পড়ুন: ৫৬ গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ, ব্যাংক কর্মকর্তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড
নিবন্ধনপ্রাপ্ত একটি সমিতি এত বড় জালিয়াতি করলেও স্থানীয় সমবায় কর্মকর্তারা এর কিছুই জানতেন না। শাহরাস্তি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মোতালেব খান বলেন, কয়েক বছর আগেই এই সমিতিটি সরকারি তালিকায় অকার্যকর হিসেবে নাম তুলেছে। তবে গ্রাহকদের টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী গ্রাহকদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

১ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·