সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে মহানগরীর কোনাবাড়ীর বাইমাইল এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত মেসার্স আব্দুল আলী ফিলিং স্টেশনে এ অভিযান পরিচালিত হয়। জেলা প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী সমন্বিতভাবে এই অভিযান চালায়।
শুরুতে রাত ৮টার দিকে যৌথ বাহিনীর একটি দল পাম্পটিতে অভিযান চালায়। অভিযানের বিষয়ে মেজর শরিফুল আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা ওই পাম্পে গিয়ে দেখি প্রবেশপথে দড়ি দিয়ে বাঁধা রয়েছে। অন্যান্য পাম্পে যেমন ভিড় দেখা যায়, এই পাম্পে আমরা তেমন ভিড় দেখতে পাইনি। পরে অভিযান চালিয়ে মজুত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ জ্বালানি জব্দ করি।’
পরে জেলা এনএসআইয়ের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালেহুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। অভিযানে বিজিবি, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
আরও পড়ুন: পাম্পে পাম্পে ঘুরেও তেল পাচ্ছেন না এমপিরা, সংসদে ক্ষোভ
ভ্রাম্যমাণ আদালত পাম্পটির মজুত যাচাই করে দেখতে পান, বিপুল পরিমাণ অকটেন মজুত থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি ‘তেল নেই’ বলে বিক্রি বন্ধ রেখেছিল। এ সময় পাম্পটি থেকে ২৮ হাজার ৫২১ লিটার ডিজেল এবং ৫ হাজার ৪১৯ লিটার অকটেনসহ মোট প্রায় ৩৪ হাজার (৩৩,৯৪০) লিটার জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালেহুর রহমান জানান, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আবুল কাশেম বাবুলকে (৬০) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মেসার্স আব্দুল আলী ফিলিং স্টেশনটি সিলগালা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছেন যে, জব্দ করা এই বিপুল পরিমাণ তেল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে বিক্রি করতে হবে এবং তেল বিক্রির সেই অর্থ সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·