ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজায় এখনও থেমে নেই ইসরাইলের বর্বরতা। স্থানীয় সময় শনিবার (১১ এপ্রিল) বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে একটি পুলিশ স্টেশনে ইসরাইলি বিমান হামলায় কয়েকজন নিহত হন। তাদের মধ্যে সংবাদকর্মীও রয়েছেন। আহত হন অনেকে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি চলাকালেও প্রায় নিয়মিত হামলায় শত শত ফিলিস্তিনি নিহত ও হাজারের বেশি আহত হয়েছেন।
অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহর উত্তরে দেইর জারির গ্রামে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের গুলিতে ২৩ বছর বয়সি এক যুবক নিহত হন। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি।
অভিযোগ উঠেছে, নেতানিয়াহু বাহিনীর সুরক্ষায় অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা গ্রামে ঢুকে গুলি চালায়। ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধের ৪০ দিনের মধ্যে ৩৬ দিনই গাজায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইল
এর দুই দিন আগে পশ্চিম তীরে ৩৪টি নতুন বসতি অনুমোদন দেয় তেল আবিব। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এটিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন উল্লেখ করে নিন্দা জানায়।
এদিকে গাজায় চলমান ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে শিক্ষাব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। ধ্বংস হওয়া ভবন ও অস্থায়ী তাঁবুর ভেতরেই শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে। বহু স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ন্যূনতম সুবিধা ছাড়াই পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
কর্তৃপক্ষ জানায়, হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নিহত হওয়ার পর বর্তমানে সীমিত সংখ্যক অস্থায়ী শিক্ষাকেন্দ্রে ক্লাস চলছে।
এদিকে গাজায় অবরোধ ভাঙার লক্ষ্য নিয়ে স্পেনের বার্সেলোনা বন্দরে একটি বেসামরিক নৌবহর প্রস্তুত হচ্ছে। শতাধিক কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী এতে অংশ নিচ্ছেন। আয়োজকদের দাবি, এটি সরাসরি ত্রাণ বিতরণ মিশন নয়, বরং মানবিক করিডর খোলার একটি উদ্যোগ।
]]>
৩ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·