মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি বলেন, ‘গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য আমরা মধ্যস্থতাকারীদের সাথে কাজ করছি। আমরা দাবি করেছি যে মানবিক সাহায্যকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবেব্যবহার করা হবে না।’
মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করছে, ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞার কারণে গাজায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। তেল আবিবের এই নিষেধাজ্ঞা গত ১০ অক্টোবর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন। কারণ মিশর সীমান্তের সঙ্গে গাজার রাফাহ ক্রসিং বন্ধ রয়েছে।
আরও পড়ুন: মাদুরোকে আটক করায় ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানালেন নেতানিয়াহু
২০২৪ সালের মে মাসে ইসরাইলি সেনাবাহিনী গাজার রাফাহ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়। এর আগে পর্যন্ত বহির্বিশ্বের সাথে গাজার একমাত্র সংযোগস্থল ছিল এই ক্রসিং।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম কান ১ জানুয়ারি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মধ্যে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ রাফাহ ক্রসিং দুই দিক দিয়ে পুনরায় চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে ফেরাউনের সঙ্গে তুলনা করলেন এরদোয়ান
এর আগে ইসরাইল সরকার জানিয়েছিল, শুধুমাত্র গাজা থেকে বাসিন্দাদের মিশরে প্রস্থানের ‘খোলা’ হবে। ইসরাইলের এই নীতির তীব্র সমালোচনা জানিয়েছিল মিশর, কাতারসহ কয়েকটি দেশ।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২






Bengali (BD) ·
English (US) ·