বুধবার (২৬ মার্চ) দুপুরে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা জানাতে ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ ড. মো. মোস্তাহেদ হোসেন ফায়ার।
তিনি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘দেশকে স্বৈরাচার ও বৈষম্যমুক্ত করতে যারা জীবন দিয়েছেন, জাতি তাদের কখনো ভুলবে না। তাদের আত্মত্যাগ আমাদের প্রেরণা হয়ে থাকবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে অবশ্যই একটি বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
আরও পড়ুন: গণঅভ্যুত্থানে আহতদের সম্মানে কুমিল্লা সেনানিবাসে ইফতার মাহফিল
নীলফামারীর সৈয়পুর উপজেলার শহীদ মো. সাজ্জাদ হোসেন ও নীলফামারী সদর উপজেলার গোড়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা শহীদ রুবেল ইসলামের পরিবারের হাতে উপহার তুলে দেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুরু থেকে আন্দোলনের সম্মুখভাগে ছিলেন এই দুই শহীদ।
শহীদ সাজ্জাদ হোসেনের বাবা মো. আলমগীর হোসেন, বাড়ি পশ্চিম পাটোয়ারিপাড়া, ১০ নম্বর ওয়ার্ড, সৈয়দপুর এবং শহীদ রুবেল ইসলামের বাবা রফিকুল ইসলাম, বাড়ি আগাজীপাড়া, গোড়গ্রাম, নীলফামারী সদর।
আরও পড়ুন: গণঅভ্যুত্থানে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে: বুলু
শহীদ পরিবারের সদস্যরা তাদের সন্তানের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমাদের সন্তানরা দেশের জন্য যে স্বপ্ন দেখেছিল, সেই স্বপ্ন যেন পূরণ হয়। বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে সরকার ও ভবিষ্যতের নেতৃত্বকে কাজ করতে হবে।’
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শহীদ পরিবারের হাতে ঈদ উপহার তুলে দেওয়া হয়। পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা ও সহযোগিতার আশ্বাস দেন ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা।