খরগোশ হত্যা ও শিকারের অপরাধে ৪ জনকে কারাদণ্ড

৫ দিন আগে
খরগোশ হত্যা ও শিকারের অপরাধে চুয়াডাঙ্গায় চারজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় শিকারীদের কাছ থেকে ৬টি মৃত ও পাঁচটি জীবিত খরগোশ উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ গ্রামের কেরু এন্ড কোম্পানির মাঠে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

 

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ঝিনাইদহ জেলার সাধুহাটি গ্রামের মনোরঞ্জন বিশ্বাসের ছেলে উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস, সাধুহাটি এনায়েতপুর গ্রামের মৃত তোয়াজ আলী ছেলে সাদগার আলী, একই গ্রামের সাধু মন্ডলের ছেলে সুকুমার মন্ডল ও মোহন কুমার বিশ্বাসের ছেলে সুধাংশু কুমার বিশ্বাস।

 

জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলার সাধুহাটি এলাকা থেকে ১৪-১৬ জনের বন্যপ্রাণী শিকারী দল আসে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ গ্রামের কেরু এন্ড কোম্পানির মাঠে। এ সময় তারা কয়েকটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে মাঠে খরগোশ শিকারের জন্য ফাঁদ পাতে। ছয়টি খরগোশ ফাঁদে আটকা পড়লে দা দিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলে তারা। পাঁচটি জীবিত খরগোশ আটকে রাখে।

 

আরও পড়ুন: খরগোশ ও মানুষের প্রতিযোগিতা!

 

বন্যপ্রাণী খরগোশ শিকারের বিষয়টি জানতে পারেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক আহসান হাবীব শিপলু সদর উপজেলা বন বিভাগকে অবহিত করে।

 

বিকেলে তিতুদহ পুলিশ ক্যাম্প, বন বিভাগ ও স্থানীয় বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ডলাইফ এন্ড নেচার ইনিশিয়েটিভ এর সদস্যরা কেরু এন্ড কোম্পানির মাঠে অভিযান চালিয়ে চার শিকারিকে আটক করে। অন্যরা পালিয়ে যায়।

 

আরও পড়ুন: খরগোশ জন্ম দিয়েছিলেন যে নারী!

 

বিষয়টি সন্ধ্যায় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলামকে জানানো হয়। রাতে তিনি ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে চার জনকে দশ দিন করে কারাদণ্ড প্রদান করেন। জীবিত পাঁচটি খরগোশ বনে অবমুক্ত করা হয়। মৃত খরগোশগুলো মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। সাজা প্রাপ্তদের রাতেই চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে নেয়া হয়। 
 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন