এ বিষয়ে অবগত মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদ ওয়েবসাইট সেমাফোর।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ‘ইন্টারসেপ্টর’ কমে যাওয়ার বিষয়টি গত কয়েক মাস ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের জানা ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ইন্টারসেপ্টরের মজুতে কোনো সংকট নেই বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি আমরা আগেই অনুমান করেছিলাম এবং এর জন্য প্রস্তুত ছিলাম। এই অঞ্চলে আমাদের ঘাঁটি, কর্মী এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য যা প্রয়োজন সবই আমাদের রয়েছে।’
আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অন্য দেশের সহযোগিতা চাইলেন ট্রাম্প
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, সম্ভাব্য ঘাটতি মোকাবিলায় ইসরাইল বিকল্প সমাধান খুঁজছে। যদিও ইরান বর্তমানে প্রতিদিন মাত্র কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিজস্ব ইন্টারসেপ্টর ইসরাইলে বিক্রি বা ভাগ করে দেবে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। এমন সিদ্ধান্ত নিলে তা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ মজুতের ওপরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবে বর্তমানে ইসরাইল কোনো মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করছে না।
আরও পড়ুন: অভিযোগ ইরানের / নকল শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে হামলা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল!
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরান যদি ক্লাস্টার মিউনিশন ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, তাহলে ইন্টারসেপ্টরের মজুত দ্রুত কমে যেতে পারে। যদিও এসব ক্লাস্টার ধ্বংস করতে ইসরাইল সাধারণত আইরন ডোম ব্যবহার করে, যা স্বল্পপাল্লার রকেট ও প্রজেক্টাইল প্রতিহত করার জন্য তৈরি।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৮








Bengali (BD) ·
English (US) ·