গত সোমবার (৩০ মার্চ) কুয়ালালামপুর-এ বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি পাঠানো হয়। প্রবাসীদের পক্ষে মিনহাজ মণ্ডল স্বাক্ষরিত আবেদনে দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রবাসীদের অবদানের কথা উল্লেখ করা হয়।
স্মারকলিপিতে ২০১৫ সালে কুয়ালালামপুরে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর ঘটনায় গভীর সন্দেহ প্রকাশ করে পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
এছাড়া শহীদ জিয়াউর রহমান-এর অবদান নিয়ে স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রীয়ভাবে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টির দাবিও তোলা হয়েছে। স্মারকলিপিতে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তাদের প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
আরও পড়ুন: ক্ষমতার চাকচিক্য ছাপিয়ে তিনি ‘অসাধারণ হয়েও সাধারণ’ প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের দুর্ভোগ লাঘবে কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিটেনশন সেন্টার ও ইমিগ্রেশন ক্যাম্পে আটক বাংলাদেশিদের দ্রুত মুক্তি, সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে ফেরত আনা এবং অনিয়মিত প্রবাসীদের বৈধকরণের জন্য মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে কার্যকর আলোচনা শুরু করা।
এছাড়া শ্রমবাজারকে সিন্ডিকেট ও দালালমুক্ত করার দাবি জানিয়ে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নারী ও মানবপাচার প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ এবং প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেয়া হয়েছে।
স্মারকলিপিটি প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরেও অনুলিপি আকারে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়া / বিদেশি নাগরিকদের অনলাইন জুয়ার আস্তানায় হানা, ৫ বাংলাদেশিসহ আটক ৭
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·