কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় জবুথবু গাইবান্ধার চরাঞ্চলের মানুষ

৩ সপ্তাহ আগে
কুয়াশার সাথে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় গাইবান্ধায় জেঁকে বসেছে শীত। গত ৪ দিন ধরে দুপুরের আগে সূর্যের দেখা মিলছে না। বিকেল গড়াতেই ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে জনপদ। রাত থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত ঝিরঝির করে পড়ছে কুয়াশা। দিনের বেলাও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।

হঠাৎ শীতের প্রকোপ বাড়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন জেলার ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ। দেখা দিয়েছে গরম কাপড়ের অভাব। শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি কাবু হয়ে পড়েছেন জেলার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ঘাঘট ও করতোয়া নদীপড়ের ১৬৫টি চরের মানুষ।

 

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাশীঘাটের দিনমজুর জহির উদ্দিন বলেন, ‘গত কয়েকদিনের শীতে কাজে যেতে পারছি না। পরিবারে কারও গরম কাপড় নেই। সরকারিভাবে শীতের কাপড় বা কম্বলও দেয়া হচ্ছে না এসব এলাকায়।’

 

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় সড়কে প্রাণ গেল ২ জনের

 

এদিকে তীব্র শীতে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শীতজনিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বেড়েছে। বিশেষ করে রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত এক সপ্তাহে প্রায় দুইশ’ শিশু জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। জ্বর, সর্দি, কাশি, কোল্ড ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে রোগীর চাপ এতটাই বেড়েছে যে, শয্যা সংকটে মেঝে ও সিঁড়িতেও চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের।

 

গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. খাইরুন নাহার বলেন, ‘শীতকালীন রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন ডায়রিয়াসহ শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ সময় শিশুদের রক্ষায় মায়েদের আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকতে হবে। শিশুদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, বাসি ও খোলা খাবার না দেয়া এবং গরম কাপড় পরিধান করাতে হবে।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন