নিহত তাইজুল ওই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। স্বজনদের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুমারখালীর দুর্গাপুর-মির্জাপুর সড়ক সংলগ্ন বিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনের লিচু বাগানে তাজেমের মরদেহ পড়ে আছে। তাঁর হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহতের পরিবারের দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পুরোনো পারিবারিক বিবাদ ও পরকীয়া সংক্রান্ত ঘটনা রয়েছে।
তাজেমের মা সাহিদা খাতুন আহাজারি করতে করতে বলেন, ‘৩ থেকে ৪ বছর আগে ছেলের স্ত্রীর সাথে পাশের বাড়ির মোক্তারের ছেলে মিরাজের সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে ঝামেলার পর তাজেম তার স্ত্রীকে ডিভোর্স দেয়। এরপর মিরাজরা মারধর করলে ছেলেটা পাগল হয়ে যায়। দীর্ঘদিন তাঁর চিকিৎসা চলছিল। মিরাজরাই শত্রুতা করে আমার ছেলেকে কুপিয়ে মেরেছে।’
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ময়লার স্তূপে বস্তাবন্দি শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মিরাজ ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তাজেমের বাবা আবুল কাশেম বিলাপ করে বলেন, ‘আমার ছেলেটা তো পাগল ছিল। ওরা আগেই ওরে মারে পাগল করে দিছে। এখন কুপায়েই মেরে ফেলল। আমার তো টাকা-পয়সা নেই, কে আমার বিচার করে দেবে?’
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে সড়কের ধার থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আঘাতের চিহ্ন দেখে প্রাথমিকভাবে এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অভিযুক্তদের ধরার চেষ্টা চলছে।

২ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·