কিশোরগঞ্জে জলমহাল দখল নিয়ে হামলা, ছাত্রদল নেতাসহ আহত ৬

১ সপ্তাহে আগে
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিল মাকসা জলমহাল দখল নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রদলনেতাসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নের লাউড়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

 

হামলায় গুরুতর আহতদের মধ্যে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তিতুমীর হোসেন সোহেল (৩৫), তাকবীর (২৮), মীর রাফি (২৩) ও রিমনের (৩৫) পরিচয় জানা যায়।

 

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, জলমহালটির দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

 

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদের অনুসারীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তিতুমীর সোহেল ও তার সঙ্গে থাকা লোকজনের ওপর হামলা চালায়। ছাত্রদল নেতাকে রক্ষা করতে গেলে তাদেরকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।

 

আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে তাদের উদ্ধার করে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় গুরুতর আহতদের কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

আরও পড়ুন: তজুমদ্দিনে শ্রমিক-যুবদলের সংঘর্ষ, আহত ১৫

 

উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আহত তিতুমীর হোসেন সোহেল বলেন, ‘উপজেলা বিএনপি সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ নির্দেশে তার লোকজন এই হামলা চালিয়েছে। আমরা জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

 

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহীন অভিযোগ করে বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকে সাঈদ এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। আজ তার বাহিনী দিয়েই ছাত্রদলের আহ্বায়কসহ কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’

 

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদের মোবাইল ফোনে বারবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

 

অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেব খান জানান, ঘটনার বিষয়ে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন