সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক ফোরামে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুপস্থিতি স্পষ্ট, যেখানে ট্রাম্প এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফসহ ২০ জন বিশ্বনেতা বোর্ডের সনদে স্বাক্ষর করেছিলেন।
ভারতের কেউ কেউ কাশ্মীর বিরোধের দৃষ্টিকোণ থেকে নয়াদিল্লির অনিচ্ছাকে দেখছেন।
আরও পড়ুন:‘মাদার অব অল ট্রেড ডিলস’ কী? কবে কোথায় স্বাক্ষর
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, বোর্ডের লক্ষ্য হল গাজায় ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করা এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তত্ত্বাবধান করা।
‘এটা শুধু আমেরিকার জন্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্য। আমি মনে করি আমরা এটি অন্যান্য জায়গায়ও ছড়িয়ে দিতে পারি।’ ট্রাম্প বলেন।
এদিকে, কিন্তু কিছু মহলের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, যদি ভারত বোর্ডে স্বাক্ষর করে - যা ট্রাম্প ভবিষ্যতে জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবে কল্পনা করেন, তাহলে এটি বিতর্কিত অধিকৃত কাশ্মীর অঞ্চলকে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক বা যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তের জন্য সুযোগ করে দিতে পারে।
যদিও ট্রাম্প বারবার কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছেন।
বিবিসি হিন্দির এক প্রতিবেদন অনুসারে, ‘শান্তির বোর্ড’ এমন এক সময়ে গঠিত হচ্ছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের বেশ কয়েকটি সংস্থা থেকে সরে আসছে, যা প্রশ্ন তুলেছে যে বোর্ডটি কি বিশ্ব সংস্থাটিকে অপ্রাসঙ্গিক করে তোলার লক্ষ্য রাখে?
কিছু মহলের মধ্যে এই উদ্বেগও রয়েছে যে, বোর্ডটি কেবল একমেরু বিশ্বকে শক্তিশালী করবে, যাতে যুক্তরাষ্ট্র প্রভাব রাখবে।
এই বিষয়ে সাম্প্রতিক এক সম্পাদকীয়তে, দ্য হিন্দু পত্রিকা পাকিস্তানের বোর্ডে যোগদানের সিদ্ধান্তকে ভারতের জন্য একটি সতর্কীকরণ সংকেত হিসেবে চিত্রিত করেছে।
সংবাদপত্রটি তাদের উদ্বেগের কারণ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী’ ভূমিকা পালনের প্রবণতাকে দায়ী করেছে, যিনি ইতিমধ্যেই দাবি করেছেন যে তিনি তার প্রথম বছরেই একাধিক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সংঘাত সমাধান করেছেন।
আরও পড়ুন:ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস: ব্রহ্মোস, রাফালে ও অর্জুনসহ জমকালো সামরিক প্রদর্শন
কিন্তু নেপাল ও ভিয়েতনামে ভারতের রাষ্ট্রদূত রঞ্জিত রায় বিশ্বাস করেন, ট্রাম্পের ‘শান্তির বোর্ড’ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া নয়াদিল্লির পক্ষে সহজ হবে না।
সূত্র: ডন
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·