বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফ হোসেন মুন্না পঞ্চগড় মহিলা কলেজের একটি কক্ষে সামারি ট্রায়ালে এ আদেশ দেন। আদালতে আসামি হাজির করা হলে বাদীর অভিযোগ, আসামির স্বীকারোক্তি ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক দণ্ডাদেশ দেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের উত্তর গেটের একটি গলিতে এই ঘটনা ঘটে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আবু হােসেনের বাড়ি পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নের ডুডুমারি এলাকায়। তিনি রাজমিস্ত্রীর যোগালি হিসেবে কাজ করতেন।
আরও পড়ুন: পরীক্ষায় ‘অতিরিক্ত কঠোর নিয়ম’ করায় পঞ্চগড়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের ওই ছাত্রী প্রাইভেট শেষে কলেজের পেছনের সরু গলি দিয়ে বাড়ি ফিরছিল। গলির মধ্যে আবু হোসেন তার গতিরোধ করে টাকার বিনিময়ে তার সাথে ঘুরতে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় এবং আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করে। এ সময় ওই কলেজ ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে আটক করে মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই যুবককে আটক করে নিয়ে যায়। এরপর বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রীর মা বলেন, ‘আমার মেয়েকে ওই লোকটা আপত্তিকর আচরণ করায় প্রচণ্ড ভয় পেয়েছে। আমি চাই আর কারো সাথে যেন এমন না হয়।’
দণ্ডপ্রাপ্ত আবু হোসেন বলেন, ‘আমি হাসপাতালে ওষুধ নিতে আসি। পরে যাবার পথে আমি শুধু বলেছি আপু ঘুরতে যাবেন? আর কিছু বলিনি। পরে আমি মাফও চেয়েছি। তারপরও আমাকে এতো বড় শাস্তি দেয়া হলো।’
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘এই রায় উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। যারা এমন ঘৃণ্য কাজ করবে তাদের পরিণতি এমনি হবে।’

১৫ ঘন্টা আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·