সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের রাঙামাটি জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা। তিনি জানান, এরই মধ্যে সেতুর চূড়ান্ত নকশা প্রণয়ন করে প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জানান, গত ৯ মার্চ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে প্রকল্প যাচাই কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কর্ণফুলী নদীর ওপর চন্দ্রঘোনা ফেরিঘাটে ক্যাবল-স্টেড সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সওজ সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের আওতায় কর্ণফুলী নদীর ওপর ৫৩২ মিটার ক্যাবল-স্টেড সেতু নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ৪৫৫ মিটার ভায়াডাক্ট ও ৫১১ মিটার এলিভেটেড সড়ক নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় মূল সেতু ও ভায়াডাক্ট নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৬৮ কোটি ৫০ লাখ ১৬ হাজার টাকা (৮৬৮৫০.১৬ লক্ষ) এবং এলিভেটেড সংযোগ সড়ক নির্মাণসহ অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪২ কোটি ২০ হাজার টাকা (২৪২০০.২০ লক্ষ)।
আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় প্রকৌশলী ও পুলিশ কর্মকর্তা নিহত
নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে এর নির্মাণকাজ শুরু হবে। সেতুটির নির্মাণকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হলো রাঙামাটি-ঘাগড়া-বাঙালহালিয়া-বান্দরবান আঞ্চলিক সংযোগ মহাসড়কের (আর-১৬১) ২১তম কিলোমিটারে কর্ণফুলী নদীর ওপর দৃষ্টিনন্দন রাইখালী-চন্দ্রঘোনা সেতু নির্মাণ। এর মাধ্যমে রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার মধ্যকার সড়ক নেটওয়ার্কটি বাধাহীন, উন্নত, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী হবে।
একই সঙ্গে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত কাপ্তাই, রাজস্থলী, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার পর্যটন শিল্পের বিকাশের দ্বার উন্মুক্ত হবে। যানবাহন ও মালামাল পরিবহনের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে তিন পার্বত্য জেলাসহ চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া অঞ্চলের জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন বহুগুণ বেড়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·