সোমবার (০৪ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কর ফাঁকির উদঘাটন ও আদায়ে ‘উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ অর্জনের দাবি করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইউনিটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর পর থেকে চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত ৩ হাজার ৩ শর বেশি আয়কর নথিতে করফাঁকির অভিযোগের অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম চালিয়েছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট।
আরও পড়ুন: শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জামিন ও হত্যা নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তদন্তে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা করফাঁকির তথ্য উদঘাটিত হয়েছে এবং চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত ফাঁকি দেওয়া মোট ৫৩২ কোটি টাকার আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। পুনরুদ্ধারকৃত রাজস্বের মধ্যে শুধু চলতি অর্থবছরেই ৪১৪ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং কোম্পানি করদাতা বিভিন্ন করবর্ষে এসব আয়কর ফাঁকি দিয়েছেন। পরে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের অনুসন্ধান ও তদন্তে এসব করফাঁকির বিষয় প্রমাণিত হওয়ায় অনেক করদাতা আয়কর এ-চালানের মাধ্যমে সেই কর সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন।
রাজস্ব খাতে করফাঁকির প্রবণতা হ্রাস, আয়কর আইন পরিপালনের সংস্কৃতি তৈরি এবং স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে ন্যায্য কর আদায়ে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট সৃষ্টি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ইউনিটের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মকর্তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণদানের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারলে রাজস্ব আহরণে আমূল পরিবর্তন আসবে।
দীর্ঘদিন অস্থায়ী কার্যালয়ে কার্যক্রম চালিয়ে আসার পর আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট পূর্ণাঙ্গ কাজ শুরু করে ২০২৪ এর ডিসেম্বর।
প্রথমে এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের সঙ্গে সংযুক্তিতে, পরে রাজস্ব ভবনে দুটি রুম নিয়ে ছোট পরিসরে কাজ চালালেও অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হওয়া কর ফাঁকির তদন্তে গতি আনতে এ ইউনিটকে ডাক ভবনে পাঠানো হয়; ওই বছর ২৩ ডিসেম্বর এ কার্যালয়ের উদ্বোধন হয়।
]]>

১ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·