বিকেলে প্রতিযোগিতা শুরু হতেই দেখা যায় সোয়ারীদের প্রাণপণ লড়াই। ঘোড়াগুলোর ক্ষিপ্র গতিতে ধুলো উড়িয়ে বিজয় রেখা স্পর্শ করার চেষ্টা আর দুই পাশে অপেক্ষমাণ দর্শকদের হৈ-হুল্লোড় ও করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মোট ১৪টি ঘোড়া এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। বড়, মাঝারি ও ছোট তিন বিভাগে বিভক্ত হয়ে ঘোড়াগুলো প্রতিটি ধাপে প্রায় এক কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়।
ঐতিহ্যবাহী এই ঘোড়দৌড় দেখতে কেবল স্থানীয়রা নন, দূর-দূরান্ত থেকেও ছুটে আসেন হাজারো নারী-পুরুষ ও শিশু। বিশেষ করে শিশুদের চোখেমুখে ছিল আনন্দের ঝিলিক। কনকনে শীতের বিকেল হলেও উৎসবের আমেজ যেন সবাইকে মাতিয়ে রাখে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।
প্রতিযোগিতার তিনটি বিভাগে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রামের রবিন মিয়া। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার কাওসার এবং তৃতীয় স্থান লাভ করেন কটিয়াদীর মানিকখালীর সোহাগ।
আরও পড়ুন: কনকনে শীতে ম্যারাথন দৌড়ে সাড়ে ৬ হাজার প্রতিযোগী
প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সাবেক সংসদ সদস্য আনিসুজ্জামান খোকন। প্রতিটি বিভাগে প্রথম স্থান অর্জনকারীকে একটি রেফ্রিজারেটর, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারীকে একটি খাসি এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে একটি এলইডি টিভি প্রদান করা হয়। এছাড়া অন্যান্য বিজয়ীদের জন্য ছিল ছাগল ও মোবাইল ফোনসহ আকর্ষণীয় সব পুরস্কার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনিসুজ্জামান খোকন বলেন, 'গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে এলাকাবাসীর এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আগামী বছর আরও বড় পরিসরে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।'

১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·