কিন্তু রোববারের (২৬ এপ্রিল) সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের কাছে হেরে গেছে। ৫০-৩১ ব্যবধানের এই হারে ব্রোঞ্জ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে লাল সবুজের প্রতিনিধিদের। চীনের সানিয়ায় বি গ্রুপে দুই নম্বরে থেকে সেমিফাইনালে উঠেছিল তারা। প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৫১-৩৪ ব্যবধানে হারানোর পর হারায় চাইনিজ তাইপেকে। তৃতীয় ম্যাচে অবশ্য নেপালের কাছে ৩৮-৩৬ ব্যবধানে হেরে যায়।
এশিয়ান বিচ গেমসে নারী কাবাডি দলের এটা ১৪ বছর পর প্রথম কোনো পদক। এই অর্জনে নারী দল সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এক অভিনন্দন বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নারী কাবাডি দলের এই অর্জন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক বিশেষ মুহূর্ত। দীর্ঘ ১৪ বছর পর এশিয়ান বিচ গেমস থেকে পদক পুনরুদ্ধার করে আমাদের মেয়েরা প্রমাণ করেছে যে সঠিক সুযোগ ও নিষ্ঠা থাকলে তারা বিশ্বমঞ্চে যেকোনো শক্তির মোকাবিলা করতে সক্ষম। সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে লড়াই করার যে মানসিকতা তারা দেখিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।’
আরও পড়ুন: ইনজুরির কারণে ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ালেন আলকারাজ
তিনি আরও যোগ করেন, ‘২০১২ সালের পর এই প্রথম এশিয়ান বিচ গেমসের কাবাডিতে বাংলাদেশের পদক জয় আমাদের নারী ক্রীড়াবিদদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। সেমিফাইনালে হারলেও মাঠের লড়াইয়ে আমাদের মেয়েরা যে দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তাতে আমি আশাবাদী যে ভবিষ্যতে আমরা ফাইনালে খেলার যোগ্যতাও অর্জন করব। এই ব্রোঞ্জ জয় আমাদের দেশের খেলাধুলার মানোন্নয়নে নতুন উদ্দীপনা জোগাবে।’
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল আগামীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য আরও বড় সম্মান বয়ে আনবে। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের খেলাধুলা, বিশেষ করে নারী ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন তিনি।

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·