রোববার (১৯ জানুয়ারি) রিয়াল মাদ্রিদকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে লাস পালমাস।
ম্যাচ শুরুর পর প্রথম আক্রমণেই গোল করে সমগ্র সান্তিয়াগো বার্নাব্যুকে স্তব্ধ করে দেয় পালমাস। ডান দিক থেকে সান্দ্রো রামিরেসের পাসে অফসাইডের ফাঁদ এড়িয়ে ছয় গজ বক্সে ঢুকে বল জালে পাঠান ফাবিও সিলভা।
ম্যাচে ফেরার সুযোগটাও খুব দ্রুতই পেয়ে যায় রিয়াল। তবে সেই সুযোগ মিস করেন ব্রাহিম দিয়াজ। তৃতীয় মিনিটে বাঁ দিক থেকে রদ্রিগোর পাস ছয় গজ বক্সে ফাঁকায় পেয়ে গোলপোস্টের বাইরে মারেন ব্রাহিম।
তবে গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি রিয়ালকে। ১৮ মিনিটে বক্সে রদ্রিগো ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় রিয়াল। ঠাণ্ডা মাথার সফল স্পট-কিকে সমতা ফেরান এমবাপ্পে।
৩৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রাহিম। বক্সের বাইরে থেকে এমবাপ্পের নেয়া শট ঝাঁপিয়ে ঠেকালেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক। লুকাস ভাসকেজের পাসে স্লাইডে ফাঁকা জালে বল পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে নেন ব্রাহিম।
৩ মিনিট পর ব্যবধান বাড়িয়ে দলকে চালকের আসনে বসান এমবাপ্পে। আলগা বল পেয়ে আক্রমণে ওঠে রিয়াল। রদ্রিগো পাস দেন বক্সে। আর প্রথম স্পর্শে ডান পায়ের শটে ম্যাচের নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।
৪২ মিনিটে হ্যাটট্রিকও প্রায় পূর্ণ করে ফেলেছিলেন এমবাপ্পে। তবে ভিএআরে গোল বাতিল হওয়ায় সেই আনন্দ ফিকে হয়ে যায় ফরাসি তারকার।
আরও পড়ুন: একই দলে খেলার সুযোগ ছিল মেসি-রোনালদোর, মনে করেন এভ্রা
বিরতির পর স্কোরলাইন ৪-১ করেন রদ্রিগো। বক্সে ফ্রান গার্সিয়ার পাসে ডান পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার।
ধাক্কা সামলে ম্যাচে ফেরা তো দূরের কথা, উল্টো ৬৪তম মিনিটে আরও বড় ধাক্কা খায় পালমাস। ভাসকেজকে বাজেভাবে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ডিফেন্ডার বেনিতো রামিরেস।
তবে ১০ জনের দলের বিপক্ষে কোনো গোল করতে পারেনি রিয়াল। কয়েকবার জালে বল জড়ালেও সেগুলো আবার অফসাইডে বাতিল হয়।
]]>