এই আলোচনার উদ্দেশ্য হলো প্রণালীটিতে নৌচলাচলের স্বাধীনতা ফেরাতে একটি শান্তিপূর্ণ বহুজাতিক মিশনে যোগ দিতে ইচ্ছুক ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং অন্যান্য দেশগুলোকে একত্রিত করা।
এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘এই কঠোরভাবে প্রতিরক্ষামূলক মিশনটি, যা যুদ্ধরত পক্ষগুলো থেকে আলাদা হবে, পরিস্থিতি অনুকূল হওয়ামাত্রই মোতায়েন করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
আরও পড়ুন:হরমুজে সামরিক সমাধানের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়ে যা বলল তুরস্ক
এর আগে, ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশ ও প্রস্থানকারী সামুদ্রিক যান চলাচলে অবরোধ শুরু করার কথা বলে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে।
ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলার পর কার্যকরভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় তেহরান। যে পথটি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়।
এদিকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, হরমুজ প্রণালীর অব্যাহত বন্ধ থাকা বিশ্বব্যাপী নৌপরিবহণের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং এটি জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ বাড়াচ্ছে।
স্টারমার এক্স-এ আরও বলেন, ‘এই সপ্তাহে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স যৌথভাবে একটি শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করবে, যা সংঘাত শেষ হলে আন্তর্জাতিক নৌচলাচল সুরক্ষার জন্য একটি সমন্বিত, স্বাধীন ও বহুজাতিক পরিকল্পনার কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
আরও পড়ুন:কোনো সামরিক জাহাজ হরমুজের দিকে এগোলে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে: ইরান
ব্রিটেন এর আগে নৌচলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ৪০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সম্মেলন আহ্বান করেছিল। সেই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত ছিল না।
সূত্র: রয়টার্স
]]>
২ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·