মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুদক প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২০ আগস্ট কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। আসামিদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪০৯, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: নাসা গ্রুপের কর্ণধার নজরুলের ১৩৬০ কোটি সম্পদ জব্দের আদেশ
চার্জশিটভুক্ত ৩০ আসামির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন: এক্সিম ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন, সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম স্বপন, সাবেক এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহ মো. আব্দুল বারী, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ মইদুল ইসলাম, মাকসুদা খানম, মো. জসিম উদ্দিন ভূইয়া, নাসরিন ইসলাম।
দুদক সূত্রে আরও জানানো হয়, এজাহারভুক্ত আসামি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে তদন্তকালে অভিযোগের সপক্ষে তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ব্যাংকিং নিয়ম ভঙ্গ করে ভুয়া নথিপত্র তৈরি করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যাংক থেকে সরিয়ে নিয়েছেন, যা পরবর্তী সময়ে পাচার করা হয়েছে।

১ সপ্তাহে আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·