উখিয়ায় চাকরিচ্যুত শিক্ষকদে আন্দোলন: আটক ২৭ জন ৮ ঘণ্টা পর মুক্ত

১ সপ্তাহে আগে
দিনভর নানা ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে দিয়ে কক্সবাজারের উখিয়ায় চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের আন্দোলন করতে গিয়ে আটক ২৭ জনকে ৮ ঘণ্টা পর মুক্তি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলন থেকে সৃষ্ট পরিস্থিতি সমাধানে ৫ দফা বিষয় নিয়ে সর্বদলীয় একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) বিকাল ৫টার দিকে উখিয়া থানা থেকে একে একে মুক্তি পান আটক ব্যক্তিরা।

 

এর আগে সকাল ৯টার দিকে উখিয়া উপজেলা সদর স্টেশনের ফলিয়াপাড়া রাস্তার মোড়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় ছাত্র প্রতিনিধি সহ ২৭ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। ঘটনার পর থেকে উখিয়া থানা প্রাঙ্গণ ঘিরে আন্দোলনকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

 

ঘটনার পরপরই উখিয়া থানা প্রাঙ্গণে যান বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, গণ অধিকার পরিষদ ও শিবির নেতারা। দীর্ঘ বৈঠকের পর সর্বদলীয় সমন্বয় কমিটি গঠন করে আলোচনার ভিত্তিতে আটকদের মুক্তি দেয়া হয়।

 

আরও পড়ুন: উখিয়ায় চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের লাঠিপেটা, কয়েকজন পুলিশ হেফাজতে

 

উখিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সরওয়ার জাহান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আটকদের মুক্তি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৫টি বিষয় সামনে এসেছে আন্দোলনরত শিক্ষকদের উপর নির্যাতন ও আটক ঘটনার তদন্তপূর্বক বিচার, গঠিত কমিটির মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে নিয়মিত যোগাযোগ, আগামী ২৫ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার কক্সবাজার সফরে শিক্ষকদের চাকরির বিষয়ে আলোচনা, এবং বুধবার সংঘটিত ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ।’

 

এর আগে চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা একই দাবিতে সোমবার সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা উখিয়ার কোর্টবাজার স্টেশন এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। এতে কক্সবাজার–টেকনাফ সড়কে কয়েক হাজার যানবাহন আটকা পড়ে এবং প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।

 

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ ও সেভ দ্য চিলড্রেন গত ৩ জুন কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারকে (আরআরআরসি) লেখা এক চিঠিতে উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিও পরিচালিত সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে। এর আগেই চাকরিচ্যুত হন প্রায় ১ হাজার ২৫০ শিক্ষক।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন