ঈদের ছুটির শেষ দিনেও কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

১২ ঘন্টা আগে
ঈদের ছুটির শেষ দিন শনিবার (৫ এপ্রিল) সাগরকন্যা কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকের উপচে পড়া ঢল নেমেছে। পর্যটকরা সৈকতের জিরো পয়েন্টে হইহুল্লোর, সমুদ্রের নোনা জলে সাঁতারে মেতেছেন। অনেকে সমুদ্রের বালিয়াড়িতে ফুলবল খেলে ছুটির শেষ সময়টা কাটাচ্ছেন।

জানা যায়, সরকারি ছুটির শেষ দিনে পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে রয়েছে পর্যটকদের উচ্ছ্বাসিত উপস্থিতি। হাজার হাজার পর্যটকের ভিড়ে প্রাণবন্ত রয়েছে দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকত।


আগত পর্যটকরা সৈকতের বালিয়াড়ীতে হইহুল্লোরে মেতেছেন। অনেকে সমুদ্রের নোনা জলে গাঁ ভাসিয়ে সাঁতার কাটছেন। শিশু পর্যটকরা মেতেছেন বালু খেলায়। অনেকে সৈকতের বেঞ্চে বসে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।


এ ছাড়া তিন নদীর মোহনা, লেম্বুর বন, ঝাউবাগান, শুটকি পল্লী, গঙ্গামতি ও লাল কাঁকড়ার চরসহ সব পর্যটন স্পটে রয়েছে পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতি।


আরও পড়ুন: ফিরতি যাত্রায় বরিশালবাসীর ঢল, ভোগান্তি এড়াতে প্রশাসনের কড়া নজরদারি


আগতদের ভিড়ে বুকিং রয়েছে অধিকাংশ হোটেল মোটেলে। বিক্রি বেড়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় তৎপর রয়েছে পুলিশ সদস্যরা।

 

সি-বাইক ও ট্রলার ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে ঈদের পর থেকে প্রতিদিনই পর্যটক বেড়েছে, তবে আজকে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল নেমেছে। সব ব্যবসায়ীর মুখে হাসি ফুটেছে।


সাউদ-বিস হোটেলের সত্বাধিকারী মো. সোহেল মিয়া জানান, শুক্রবার প্রচুর পর্যটক আসছে, আজকে সব হোটেল বুকিং রয়েছে এবং সৈকতে পর্যটকের ঢল নেমেছে।


আরও পড়ুন: গরমেও আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্র


কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ জোনের, ইনচার্জ শাখাওয়াত হোসেন তপু জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছি। তাদের মাইকিং করে দিক নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলোতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ট্যুরিস্ট পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম। পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা দ্বারা মনিটরিং করা হচ্ছে।


কুয়াকাটা হোটেল মোটেল অউনার এসোসিয়েশন সভাপতি মো. মোতাবেক শরীফ জানান, শুক্রবার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকে মুখরিত ছিল। আমাদের ছোট-বড় মিলে আড়াই শতাধিক আবাসিক হোটেল রয়েছে, তার মধ্যে ৮০ ভাগ হোটেলে রুম বুকিং রয়েছে। পর্যটকে নিরাপত্তায় উপজেলা প্রশাসনসহ আমরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছি।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন