শনিবার (২৮ মার্চ) ভোর থেকে বাস ট্রেন কিংবা লঞ্চ- সব বাহনেই ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ দেখা গেছে। ছোট-খাট ভোগান্তি থাকলেও স্বস্তিতে ঢাকায় ফিরছেন বলে জানাচ্ছেন বেশিরভাগ মানুষ।
সকাল থেকে মাঝারি ভিড় থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাবতলি বাস টার্মিনালে বাড়তে থাকে দূরপাল্লার বাসের চাপ। বাস থেকে নেমেই যাত্রীরা ব্যাগ-লাগেজ সঙ্গে নিয়ে দ্রুত টার্মিনাল ত্যাগ করছেন। অনেকে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ফিরলেও বেশির ভাগ যাত্রী একাই কর্মস্থলে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন।
যাত্রা পথে কিছু পয়েন্টে গাড়ির ধীরগতি থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন কিছু যাত্রী। এছাড়া টার্মিনালজুড়ে ব্যাটারিচালিত ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং লোকাল পরিবহনের এলোমেল দাঁড়িয়ে থাকার কারণে কিছুটা ভোগান্তি পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। এতে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়ছে সময়।
এদিকে রেলপথেও কর্মব্যস্ত শহরে ছুটছে মানুষ। সকাল থেকে যাত্রী বোঝাই করে ঢাকায় ফিরে আসছে প্রতিটি ট্রেন। পূর্বাঞ্চলের ট্রেনে ফিরতি পথেও যাত্রী চাপ কিছুটা কম ছিল। একইরকম পরিস্থিতি দেখা গেছে উত্তরাঞ্চলের ট্রেনগুলোতে।
অধিকাংশ ট্রেনই সময় মতো ঢাকায় আসছে। তবে সকালে হাওর এক্সপ্রেস ও মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস তিন ঘণ্টা বিলম্বে কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছায়। এতে ভোগান্তি বাড়ে ফিরতি যাত্রীরা।
আরও পড়ুন: ফিরতি যাত্রায় সৈয়দপুরে বিমানের টিকিটের দাম ৩ গুণ
অপরদিকে, ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায়ও ফিরতি মানুষের ঢল নেমেছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা লঞ্চগুলোতে যাত্রীচাপ ছিল চোখে পড়ার মতো।
লঞ্চযাত্রা তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক হলেও ঘাটে নামার পর থেকেই শুরু হচ্ছে ভোগান্তি। বিশেষ করে বাড়তি ভাড়া দাবি করা সিএনজিচালিত ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকদের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন যাত্রীরা।
সরজমিনে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শুক্রবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত তিনটার পর থেকে একে একে ভিড়তে শুরু করে দক্ষিণাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলো।
সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। পরিবারের সদস্যদের হাত ধরে, কাঁধে ও মাথায় ব্যাগ নিয়ে, দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি চোখে নিয়েই ঘাটে নামেন যাত্রীরা। তবে ফিরতি যাত্রায় লঞ্চে তেমন ভোগান্তি না থাকলেও, যাত্রীদের দুর্ভোগ শুরু হয় ঘাটে নামার পর।
অতিরিক্ত যাত্রী, এবং ব্যাগপত্র সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেককে। তবুও প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের সময় কাটানোর স্মৃতি যেন সেই কষ্টকে কিছুটা হলেও ম্লান করে দেয়।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৫







Bengali (BD) ·
English (US) ·