মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
লঞ্চঘাট পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিটি লঞ্চঘাটেই যাওয়ার চেষ্টা করছি। জাহাজ কর্তৃপক্ষকে সব বিষয়ে সতর্ক করার চেষ্টা করছি। বিআইডব্লিউটিএ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে আমরা এ কাজগুলো করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘাটে ঘাটে গিয়ে লঞ্চগুলো সঠিক সময়ে ছেড়ে যাচ্ছে কি না এবং যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া বেশি নিচ্ছে কি না, তা চেক করে দেখছি। তবে সবকিছু এখন পর্যন্ত ঠিক আছে। আমরা চাই, ফিরতি পথের যাত্রা নিরাপদ, আনন্দময় ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হোক। এ কাজটিই আমরা করার চেষ্টা করছি।’
আরও পড়ুন: ভোলায় পুকুর থেকে গুলিসহ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম ঈদের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাজিব আহসান বলেন, ‘আমরা রোজার সময়ই সরকারের দায়িত্ব নিয়েছি। আমাদের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রধান লক্ষ্যই ছিল, ঈদে লাখ লাখ মানুষকে নিরাপদে বাড়িতে নিয়ে আসা, আবার নিরাপদে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া। সেই কাজটির দিকেই আমরা সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়েছি। আমরা আশা করছি, মানুষ নিরাপদে ও সুস্থভাবে যার যার কর্মস্থলে যোগ দিতে পারবেন।’
ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একসময় বরিশালের লঞ্চঘাটটি সবচেয়ে ব্যস্ততম ছিল। এখন সবচেয়ে ব্যস্ততম লঞ্চঘাট হলো ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট। এখান থেকে সবচেয়ে বেশি লঞ্চ চলাচল করে। এখানকার টার্মিনালটি আধুনিকায়ন করা এখন সময়ের দাবি। নিশ্চয়ই আমরা এ বিষয়টি মাথায় রেখে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ঠিক করব এবং এ পথে যাতায়াতকারীদের আরও স্বস্তি দিতে কাজ করব।’
এর আগে সকালে স্পিডবোটে পাতারহাট কালিগঞ্জ লঞ্চঘাট থেকে রওনা হয়ে ভোলার চরফ্যাশনের বেতুয়াঘাটে যান নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী। সেখান থেকে বিকেলে স্পিডবোটে লালমোহনের মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট, বোরহানউদ্দিনের হাকিমুদ্দিন ও দৌলতখান লঞ্চঘাট হয়ে ইলিশা লঞ্চঘাটে আসেন তিনি। এ সময় তিনি ঘাটে থাকা লঞ্চ কর্তৃপক্ষ ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৬







Bengali (BD) ·
English (US) ·