সোমবার (১৩ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি সম্পর্কে বলতে পারবে। তবে ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে ছুটিতে পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চাপ রয়েছে কি না তা জানা নেই। গভর্নর দেশের বাইরে থাকা অবস্থায় এ ধরনের অস্থিরতা গ্রাহক পর্যায়ে যে প্রভাব ফেলেছে তা পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক, জানান তিনি। তবে ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও গ্রাহকদের আশ্বস্ত করেন তিনি। এ সময় বর্তমান এমডি থাকা অবস্থায় সুশাসনের কি ঘাটতি হয়েছে সে সম্পর্কে কোন উত্তর পাওয়া যায় নি।
আরও পড়ুন: শরিয়াহ বোর্ড সদস্যদের পূর্ণ সুরক্ষা ও স্বাধীনতা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক: গভর্নর
গত ১২ এপ্রিল ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও মো. ওমর ফারুক খানকে দেড় মাসের জন্য বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মতি রয়েছে বলে জানা যায়।
এদিকে ব্যাংক রেজ্যুলেশন অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরে পুরানো পরিচালকদের ব্যাংকখাতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ ও ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে ছুটিতে পাঠানো নতুন সমীকরণ দিচ্ছে ব্যাংকখাতে। ব্যাংকটি আবারও এস আলমের হাতে ফিরে যাওয়া নিয়ে শঙ্কা নিয়ে রোববার মানববন্ধন করে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা। সেখানে ব্যাংকটি এস আলমের হাতে গেলে আমানতের সব টাকা তুলে নেয়ার ঘোষণা দেন তারা। এছাড়া আবারও দুর্বৃত্তায়ন ফিরবে ব্যাংক খাতে এমন আশংকা তাদের।

২ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·