যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় জানিয়েছেন, তার মন্ত্রণালয়ের ‘বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ’ এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
তবে নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো কোন দেশের— তা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি কিংবা ট্রেজারিমন্ত্রীর এক্সবার্তায় উল্লেখ করা হয়নি।
আরও পড়ুন:পারমাণবিক ইস্যুতে বিরোধ / ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবে খুশি নন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় দেখা দেয়া অচলাবস্থার মধ্যে নতুন করে এ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়া হলো।
ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের অফিস অফ ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) জানিয়েছে যে, চিহ্নিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানের নিষেধাজ্ঞা এড়ানো এবং দেশটির ‘সন্ত্রাসবাদে’ পৃষ্ঠপোষকতার সাথে জড়িত কয়েক হাজার কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থের চলাচলে সহায়তা করেছিল।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি ডলারের অবৈধ তহবিল স্থানাস্তর হয়েছে। আর এসব অর্থ ইরানের ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে’ সহায়তা করেছে।
ওএফএসি আলাদাভাবে ব্যাংকগুলোকে এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যবসা না করার জন্য সতর্ক করেছে, যারা প্রণালীটি দিয়ে যাতায়াতের জন্য ইরান সরকার বা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে অর্থ প্রদান করে। সংস্থাটি বলেছে, এর ফলে তারা গুরুতর নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়বে।
আরও পড়ুন:হামলা চালিয়ে ইরান যুদ্ধ থেকে আমাকে সরানো যাবে না: ট্রাম্প
দুই মাসব্যাপী ইরান যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টা মঙ্গলবারও অচলাবস্থায় ছিল, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সর্বশেষ পরিকল্পনায় অসন্তুষ্ট ছিলেন। এই পরিকল্পনায় প্রস্তাব করা হয়েছিল যে, সংঘাত শেষ না হওয়া এবং জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখা হবে।
সূত্র: রয়টার্স
]]>
৬ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·