ইরানের হামলায় মার্কিন ঘাঁটিগুলো যা বলা হয় তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

১ সপ্তাহে আগে
সাম্প্রতিক ইরানি হামলায় পারস্য উপসাগরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সরঞ্জাম প্রাথমিকভাবে যা জানানো হয়েছিল তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের মতে এ তথ্য জানা গেছে।

ধ্বংসের পরিমাণ এখন পর্যন্ত যা জানানো হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি এবং এর মেরামতের জন্য শত শত কোটি ডলার খরচ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, কর্মকর্তারা এনবিসি নিউজকে এসব জানিয়েছেন।

 

২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান এই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় অন্তত সাতটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে অস্ত্রাগার, অভিযান পরিচালনার কমান্ড সেন্টার, বিমান হ্যাঙ্গার এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা।

 

আরও পড়ুন:রোববার ইসলামাবাদে ফিরতে পারেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা


এটি রানওয়ে, রাডার ব্যবস্থা এবং এমনকি কিছু বিমানেরও ক্ষতি করেছে, যেগুলো সামরিক চলাচল ও নজরদারির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন কি শক্তিশালী মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ইরানের একটি পুরোনো এফ-৫ যুদ্ধবিমানও ভেতরে ঢুকে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছিল।


এদিকে, ইরানের হামলায় ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে সম্পর্কে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পূর্ণাঙ্গ বিবরণ জানায়নি। এমনকি ওই অঞ্চলে সামরিক অভিযান পরিচালনাকারী মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।


এ বিষয়ে স্বচ্ছতার অভাবে কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ক্ষুব্ধ ও হতাশ। একজন সহযোগী তো এও বলেছেন যে, কয়েক সপ্তাহ ধরে জিজ্ঞাসা করা সত্ত্বেও তারা এখনও পুরো বিষয়টি জানেন না, বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন পেন্টাগন রেকর্ড পরিমাণ উচ্চ বাজেট চাইছে।


‘কেউ কিছুই জানে না। আর এটা এমন নয় যে, জিজ্ঞাসা করা হয়নি।  আমরা সপ্তাহের পর সপ্তাহ ধরে জিজ্ঞাসা করছি কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট তথ্য পাচ্ছি না, এমনকি পেন্টাগন যখন রেকর্ড পরিমাণ উচ্চ বাজেট চাইছে,’ তিনি বলেন।

 

আরও পড়ুন:যুদ্ধের ক্ষত না শুকাতেই মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের ‘বাণিজ্যিক কূটনীতি’!


জানা গেছে, ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিকল্পনার অর্থায়নের জন্য পেন্টাগন মার্কিন কংগ্রেসের কাছে ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ চাইছে। সংঘাতের মাত্র প্রথম সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক অভিযানে ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করেছে।

 

সূত্র: এনডিটিভি

 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন