হোয়াইট হাউসের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, এই বৈঠক থেকে যে কোনো মুহূর্তে সাময়িক যুদ্ধবিরতি বাতিলের ঘোষণা আসতে পারে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট জানান, বৈঠক শেষে ট্রাম্প পুনরায় বিমান হামলার নির্দেশ দিতে পারেন অথবা নতুন কোনো প্রতিনিধি দলকে আলোচনার জন্য পাকিস্তানে পাঠানোর ঘোষণা দিতে পারেন।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহের শেষে আলোচনার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার যাত্রাকে ‘অহেতুক’ আখ্যা দিয়ে শেষ মুহূর্তে জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফকে পাকিস্তানে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানান ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব ছাড়া এত দূর ভ্রমণ করার কোনো মানে হয় না।
আরও পড়ুন: উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করল যুক্তরাষ্ট্র
পরবর্তী সময়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ইরানকে নতুন আইডিয়া নিয়ে সরাসরি তাকে ফোন করার আহ্বান জানান। সেখানে তিনি দাবি করেন, দরকষাকষির সব চাবিকাঠি এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।
লেভিট আরও স্পষ্ট করেন, ইরানের সঙ্গে যে কোনো চুক্তির ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত বা ‘রেড লাইন’ রয়েছে। ট্রাম্প একাধিকবার স্পষ্ট করেছেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না এবং এটিই হবে যে কোনো সম্ভাব্য আলোচনার মূল ভিত্তি।

১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·