প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেশটির অর্থনীতি ও তেল রপ্তানির ওপর চাপ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এতে আরও বলা হয়, তিনি মনে করেন যে, অবরোধ বজায় রাখার বিকল্পটি বেশি সুবিধাজনক। তার চেয়ে বোমা হামলা পুনরায় শুরু করা বা সংঘাত থেকে সরে আসাটা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন ট্রাম্প।
আরও পড়ুন:ইরানের ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের
রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে এই প্রতিবেদনটি যাচাই করতে পারেনি।
তবে, এই কৌশলটি এমন একটি সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করছে যা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে, ট্রাম্পের জনসমর্থনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে এবং মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সম্ভাবনাকে ম্লান করে দিয়েছে। এর ফলে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের সংখ্যাও সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে বড় ধরনের বোমা হামলা বন্ধ করার পর থেকে, ট্রাম্প বারবার উত্তেজনা বৃদ্ধি থেকে সরে এসেছেন এবং কূটনীতির জন্য জায়গা রেখেছেন; যদিও এর আগে তিনি ইরানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের হুমকি দিয়েছিলেন। তবুও, এখন তিনি ইরান সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়াতে চাইছেন, যতক্ষণ না তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে দিতে রাজি হয়।
আরও পড়ুন:দেশের নির্বাচনি ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টায় ট্রাম্প প্রশাসন!
এর আগে ইসলামাবাদে প্রথম দফার শান্তি আলোচনায় কোনো মীমাংসা না হওয়ার পর পাকিস্তানের মধ্যস্ততা সত্ত্বেও দ্বিতীয় দফার আলোচনা এখনও অনুষ্ঠিত হয়নি।
]]>
৬ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·