মার্কিন সিনেট কমিটির এক শুনানিতে তিনি বলেন, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়লে এরপর কী ঘটবে, তা কেউ স্পষ্টভাবে বলতে পারে না। রুবিও স্বীকার করেছেন, ইরানের পরিস্থিতি অন্য দেশের মতো সহজ নয়।
ভেনেজুয়েলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেখানে শাসন পরিবর্তনের বিষয়টি তুলনামূলকভাবে সহজ ছিল। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে বিষয়টি অনেক বেশি জটিল। তার ভাষায়, ‘এটি এমন খাবার নয় যা ওভেনে গরম করে খাওয়া যায়।’
তিনি বলেন, খামেনি বা বর্তমান শাসনব্যবস্থা পতন হলে এরপর কী ঘটবে—সে বিষয়ে কোনো সহজ বা স্পষ্ট উত্তর কারও কাছে নেই।
আরও পড়ুন: ইরানে মার্কিন হামলা কি অত্যাসন্ন?
রুবিও এই বক্তব্য এমন এক সময় আসলো যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আবারও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন
ইরানে দমন-পীড়নের ঘটনায় একাধিকবার দেশটিতে হামলার হুমকি দিয়েছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। চলতি সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী এবং সহযোগী যুদ্ধজাহাজের আগমন ট্রাম্পের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার ক্ষমতা বেড়েছে।
আরও পড়ুন: ‘যেকোনো সামরিক পরিস্থিতির জন্য ইরান প্রস্তুত’, হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) তেহরানকে আল্টিমেটাম দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে বলেন, একটি বিশাল নৌবহর ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি অত্যন্ত দ্রুততার সাথে তার মিশন সম্পন্ন করতে সক্ষম।
তবে ট্রাম্পের আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। মার্কিন হুমকিতে মাথা নত করবে না বলে জানিয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তাদের বাহিনী যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। যদিও তিনি জানান, কোনো ধরনের হুমকি কিংবা জবরদস্তি ছাড়া বৈঠক ও ন্যায্য চুক্তিতে তেহরানের আপত্তি নেই।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

২ সপ্তাহ আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·