প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রস্তাবটিকে একটি প্রতীকী পদক্ষেপ বলেই মনে হচ্ছিল, এমন কোনো পদক্ষেপ নয় যা গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াতের অপেক্ষায় থাকা শত শত জাহাজের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো অগ্রগতি বয়ে আনবে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে এককভাবে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস চলাচল করে।
আরও পড়ুন:মার্কিন নৌ অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ পাড়ি ইরানের সুপার ট্যাংকারের
পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটি জানায়, তেহরানের কোনো বাধা ছাড়াই ইরান ওমানের জলসীমায় অবস্থিত সংকীর্ণ প্রণালীটির অপর পাশ দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে দিতে ইচ্ছুক হতে পারে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘প্রতিষ্ঠিত ট্র্যাফিক ‘আলাদা করার’ ব্যবস্থার মাধ্যমে জাহাজের নিরাপদ চলাচলের অনুমতি দেয়ার যেকোনো পদক্ষেপকে আমরা স্বাগত জানাই।’
এই প্রস্তাবটির মাধ্যমে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের উত্থাপিত আক্রমণাত্মক ধারণাগুলো থেকে সরে আসার প্রথম দৃশ্যমান পদক্ষেপ এটি।
এর আগে, আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে যাতায়াতের জন্য জাহাজের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং প্রণালীটির ওপর সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেয়ার মতো বিষয়গুলো চেয়েছিল তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের ফলে ইরানের প্রণালী দিয়ে যান চলাচলে বাধা দেয়ার কারণে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহে এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় ব্যাঘাত ঘটেছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে শত শত ট্যাঙ্কার ও অন্যান্য জাহাজ এবং ২০,০০০ নাবিক পারস্য উপসাগরের ভেতরে আটকা পড়ে আছেন। ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেন যে যুদ্ধ প্রায় শেষ, কিন্তু প্রণালীটির নিয়ন্ত্রণ এখনও একটি প্রধান বিষয়।
এদিকে, সূত্রটি জানায়নি যে, ইরান প্রণালীটির ওমানি অংশে তাদের পেতে রাখা কোনো মাইন অপসারণ করতে রাজি হবে কি না, অথবা ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোসহ সব জাহাজকে যেতে দেয়া হবে কি না।
আরও পড়ুন:মার্কিন নৌ অবরোধ সত্ত্বেও হরমুজ পার হচ্ছে জাহাজ
তবে সূত্রটি আরও জানায় যে, প্রস্তাবটি নির্ভর করছিল ওয়াশিংটন তেহরানের দাবি মেটাতে প্রস্তুত কি না তার ওপর, যা ছিল প্রণালীটি নিয়ে যেকোনো সম্ভাব্য অগ্রগতির জন্য একটি কেন্দ্রীয় শর্ত।
সূত্র: রয়টার্স
]]>
১৪ ঘন্টা আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·