‘ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়মের সমালোচনায় পোলার্ড

১৬ ঘন্টা আগে
গত কয়েক বছরে আইপিএল পরিণত হয়েছে রানের উৎসবে। শেষ চার আসরে ২৫০+ ইনিংসের সংখ্যাই তার প্রমাণ। টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে ১৩ বারের মধ্যে ১২ বার আড়াইশ ছাড়ানো ইনিংস দেখা গেছে এই কয়েক বছরে। দুইশর বেশি রান তাড়াও যেন এখন মামুলি ব্যাপার।

এই আসরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স দ্বিতীয় ইনিংসে ২২৪ রান করে জিতেছে। এক পাঞ্জাব কিংস দুশোর বেশি রান তাড়া করেছে দুবার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে গতকাল ২২৩ রান করে জিতেছে তারা, আসরের সপ্তম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে জিতেছিল ২১০ করে। দুইশর বেশি রান তাড়া করে জয় আছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও রাজস্থান রয়্যালসেরও।


বলার অপেক্ষা রাখে না, রান উৎসবের পেছনের অন্যতম বড় নিয়ামক ‘ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম। ২০২৩ সালে এই নিয়ম চালু করেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ। এই নিয়মের মাধ্যমে ম্যাচের মাঝখানে একাদশ থেকে কোনো খেলোয়াড়ের পরিবর্তে একজন বিকল্প খেলোয়াড়কে মাঠে নামানো যায়। যেমন বোলিং বিভাগে শক্তি বৃদ্ধির দরকার হলে টিমগুলো ব্যাটার উঠিয়ে নিয়ে বোলার নামাতে পারে, ব্যাটিং বিভাগে শক্তি বৃদ্ধি করতে চাইলে ব্যাটার।


আরও পড়ুন: মুকুলের বাবা ছেলের স্বপ্ন পূরণ করার পথে জেলও খেটেছেন


গত কয়েক বছরে এই নিয়মের বিরুদ্ধে অনেকেই কথা বলেছেন। এবার তাদের কাতারে যোগ দিলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ব্যাটিং কোচ কেইরন পোলার্ড। এই নিয়মের কারণে আইপিএলে অলরাউন্ডাররা নৈপুণ্য দেখাতে পারছেন না মনে করা পোলার্ড বলেছেন, তিনি এটার ফ্যান নন।


ক্রিকবাজকে পোলার্ড বলেন, ‘আপনি যদি জিজ্ঞেস করেন যে, ব্যক্তিগতভাবে আমি এটা পছন্দ করি কি না, আমি সরাসরি বলব এটার ফ্যান নই।’


পোলার্ড মনে করেন, এই নিয়মের কারণে রান বেশি উঠছে। তিনি বলেন, ‘এটার থেকে মুক্তি পাওয়া আমার ক্ষমতার বাইরে। তবে আমি যেমন বলেছি, এটি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে স্কোর অবশ্যই বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও কি একই প্রভাব পড়েছে? আমি বিষয়টি খুব গভীরভাবে দেখিনি, কারণ সেখানে ভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি থাকে। লিগ ম্যাচে যদি কয়েকটা উইকেট পড়েও যায়, তবুও আপনার কাছে ইনিংস সামলে নেওয়ার সুযোগ থাকে।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন