ইতিকাফের অনন্য ফজিলত

৪ দিন আগে
ইতিকাফ আরবি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে-- অবস্থান করা, নিঃসঙ্গতা, বিচ্ছিন্নতা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায় নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইবাদত বন্দেগি (নামাজ, রোজা, জিকির এস্তেগফার দোয়া কোরআন তেলাওয়াত ইত্যাদির মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন) করার উদ্দেশ্যে জামে মসজিদে অবস্থান করা।

ইতিকাফ পুরো রমজান মাস জুড়েও হতে পারে। যা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। আবার রমজান ছাড়াও অন্য যে কোনো সময় সর্বনিম্ন দশ-পনের মিনিটের জন্যও নফল ইতিকাফ হতে পারে। আর এই রমজান মাসের মধ্যেই রয়েছে মহিমান্বিত রজনি লাইলাতুল কদর। যে রাতের ইবাদতের বিনিময়ে বান্দার জন্য রয়েছে হাজার বছর ইবাদত অপেক্ষা উত্তম প্রতিদান।

 

রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই সুন্নত ইতিকাফ আদায়ে রমজানের শেষ দশকে যাদের হাতে সময় আছে এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য মসজিদে ইতিকাফ করা উচিত। নিজের গুনাহ মাফের জন্য এবং লাইলাতুল কদরের ফজিলত অর্জনের জন্য ইতিকাফ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সুবর্ণ সুযোগ। যা প্রতি বছর একবারই আসে আমাদের মাঝে। ইতিকাফের কিছু প্রকার রয়েছে। নিম্নে এগুলো নিয়ে আলোকপাত করবো।

 

ইতিকাফের ফজিলত

 

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, 

 

যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে একদিন ইতিকাফ করবে আল্লাহ তাআলা তার ও জাহান্নামের মাঝে তিন খন্দক সমান দূরত্ব সৃষ্টি করবেন, যা আসমান জমিনের দূরত্ব অপেক্ষা বেশি। ( তবারানি শরিফ)

 

আরও পড়ুন: রমজানের শেষ দশকে নবীজির আমল

 

রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 

 

যে ব্যক্তি রমজান মাসে দশ দিন ইতিকাফ করবে তার জন্য দুইটি হজ্জ ও দুইটি ওমরার সওয়াব লেখা হবে। ( বায়হাকি, হাদিস: ৩৬৮০)

 

এখান থেকে আমাদের জন্য শিক্ষা হলো, আমরা রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করব এবং প্রত্যেক বিজোড় রাতে লাইলাতুল কদর তালাশ করব।  আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ইতিকাফের গুরুত্ব অনুধাবন করে আমল করার তাওফিক দান করুন। লাইলাতুল কদরের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি রাতে ইবাদত করে হাজার বছরের ইবাদতের পুণ্য লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন