প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সংঘাত। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া উত্তেজনায় এরইমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। তারপরও থেমে নেই হামলা-পাল্টা হামলা।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) কম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী শহর পয়পেটের কাছে একটি লজিস্টিকস সেন্টারে বোমা হামলা চালানো হয়। ক্যাসিনো হাবের জন্য বিখ্যাত শহরটি দু’দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় স্থলসীমান্ত পারাপার এলাকা হিসেবে পরিচিত।
এক বিবৃতিতে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, পয়পেটের পৌর এলাকায় বিমান থেকে দুটি বোমা ছোড়ে থাই সামরিক বাহিনী। ক্যাসিনো হাবকে টার্গেট করে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে নমপেন।
এদিকে বিমান হামলার কথা স্বীকার করেছে থাইল্যান্ড। তবে ক্যাসিনো হাব নয়, থাই কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে তাদের যুদ্ধবিমান কম্বোডীয় সেনাবাহিনীর একটি গুদামে আঘাত হেনেছে। সেখানে কম্বোডিয়া গোপনে বিএম-২১ রকেট মজুত করেছিল বলেও দাবি করেছে দেশটি।
আরও পড়ুন: সীমান্ত সংঘাত /থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ায় নিহত ২৭, বাস্তুচ্যুত ৫ লাখ মানুষ!
তবে হামলায় কোনো বেসামরিক হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে থাই বিমান বাহিনী।
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাত বন্ধের পাশাপাশি দু’দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন কম্বোডিয়ার বাসিন্দারা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাজধানী নমপেনের সড়কে নেমে আসেন হাজারো মানুষ। এসময় আন্দোলনকারীরা যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের দাবি জানান।
এমন পরিস্থিতিতে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের অংশ হিসেবে আসিয়ান পর্যবেক্ষক দল মোতায়েনে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। সংঘাত কমাতে মালয়েশিয়ার উদ্যোগে বহুমুখী কূটনৈতিক যোগাযোগ রাখার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
এমনকি, আগামী ২২ ডিসেম্বর কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিতব্য আসিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে উভয় দেশই সম্মত হয়েছে বলে জানান আনোয়ার ইব্রাহিম।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·