আরব আমিরাতের তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ইরানের হামলা

১ দিন আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে তাদের একটি ট্যাঙ্কারে হামলা হয়েছে, তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

আরব আমিরাত বলছে, তাদের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আদনক-সংশ্লিষ্ট একটি ট্যাঙ্কার হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার মুখে পড়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। খবর বিবিসি’র।

 

দেশটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই হামলা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮১৭ নম্বর প্রস্তাবের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, যেখানে নৌ চলাচলের স্বাধীনতার গুরুত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা বা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পথ বাধাগ্রস্ত করা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।’

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করা এবং হরমুজ প্রণালীকে অর্থনৈতিক চাপ বা ব্ল্যাকমেইলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা ও ইরানের আইআরজিসির হামলা একটি ডাকাতির ঘটনার মতো। এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, জনগণ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি।’

 

ইরানকে এই হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। 

 

আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালীতে দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজে ‘রহস্যজনক’ বিস্ফোরণ

 

এর আগে সতর্কতা উপেক্ষা করায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করে ইরান। প্রতিবেদন অনুসারে, ইরানের নৌবাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় জাস্ক দ্বীপের কাছে জাহাজটির ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।

 

সূত্রের বরাত দিয়ে ফার্স নিউজ লিখেছে, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের পর মার্কিন ‘ফ্রিগেটটি’ পিছু হটতে বাধ্য হয়।

 

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার যে দাবি ইরান করেছে তা সত্য নয়।

 

এক্স-এ দেয়া পোস্টে সেন্টকম বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কোনো জাহাজে হামলা হয়নি। মার্কিন বাহিনী প্রজেক্ট ফ্রিডমে সহায়তা করছে এবং ইরানের বন্দরে নৌ অবরোধ কার্যকর করছে।’

 

সূত্র: বিবিসি

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন