স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নিউইয়র্ক পোস্ট-কে দেয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ইরানকে ‘ধ্বংস করে দিচ্ছে’, তবে এই অভিযান আর বেশি দিন চলবে না বলেও জানান।
ট্রাম্প বলেন,
আমরা সেখানে আর বেশি দিন থাকব না। আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দিচ্ছি। আমাদের আর বেশি দিন থাকতে হবে না, তবে তাদের অবশিষ্ট সামরিক সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে নিষ্ক্রিয় করতে কিছু কাজ এখনও বাকি।
আরও পড়ুন: যেভাবে ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের চেষ্টা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থেকে সরে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তিনি বলেন, এই প্রণালি ব্যবহারকারী দেশগুলোরই এটি খুলে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া উচিত।
তিনি বলেন,
আমার মনে হয় হরমুজ প্রণালি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে। আমরা দেশটিকে কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছি, তাদের আর কোনো শক্তি অবশিষ্ট নেই। যেসব দেশ এই প্রণালি ব্যবহার করছে, তাদেরই খুলতে দিন। আমি ধারণা করছি, যারা তেল নিয়ন্ত্রণ করছে তারা প্রণালিটি খুলে দিতে পেরে খুব খুশি হবে।
এর আগে জেট ফুয়েলের সংকটে পড়া ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোকে খোঁচা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট । তিনি বলেছেন, জেট ফুয়েল দরকার হলে, তারা তা যেন হরমুজ প্রণালি থেকে নিয়ে আসে।
আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তান ও চীনের পাঁচ দফা প্রস্তাব, কী ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘হরমুজ প্রণালির কারণে যেসব দেশ জেট ফুয়েল পাচ্ছে না, যেমন যুক্তরাজ্য, যারা ইরান যুদ্ধে জড়াতে অস্বীকার করেছে, তাদের জন্য আমার একটি পরামর্শ আছে: প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনুন, আমাদের কাছে প্রচুর (জেট ফুয়েল) আছে এবং দ্বিতীয়ত, কিছুটা বিলম্ব হলেও সাহস সঞ্চয় করুন, (হরমুজ) প্রণালিতে যান, এবং (সেখান থেকেই) এটা নিয়ে নিন।’
যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে ইরান ‘দুর্বল’ হয়ে পড়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘কঠিন কাজটা হয়ে গেছে। যান, এখন নিজেদের তেল নিজেরাই জোগাড় করুন।’
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·