এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম।
এ সময় মহাপরিচালক বলেন, একসময় আমাদের দেশের কৃষি ছিল পেটে ভাতের কৃষি। দেশ যখন স্বাধীন হয় সেই স্বাধীনতার পূর্বের সময় আমাদের খাদ্য উৎপাদনের যে ব্যবস্থা ছিল দানাদার শস্য, তার পরিমাণ ছিলো ১ কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টন। সেই জায়গা থেকে আজ আমরা দানাদার খাদ্যশস্যের স্বয়ংসম্পূর্ণ।
আরও পড়ুন: ভূমি ও কৃষিজমির অপব্যবহার রোধে অধ্যাদেশ জারি, শাস্তির বিধান কী?
তিনি বলেন, আমাদের খাদ্যশস্যের বা খাদ্যের কোনো ঘাটতি নাই। এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের কৃষির সাথে সম্পৃক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি মন্ত্রণালয়, এবং সর্বোপরি এদেশেই কৃষক যারা শ্রম দিয়ে ঘাম দিয়ে কৃষি উন্নয়নের জন্য বা রূপান্তিত করার জন্য। আপনারা যারা কাজ করেছেন, তাদের জন্য এটা সম্ভব হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশি কৃষি-ওষুধ পণ্য রফতানির দুয়ার খুলছে ব্রাজিলে!
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রকল্প পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন, ঢাকা খামারবাড়ি প্রকল্প বাস্তবায়নের উপপরিচালক শাখাওয়াত হোসেন শরীফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শরীফুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ডক্টর মোস্তফা এমরান হোসেনসহ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কৃষক-কৃষানি, সার ও বিজ ডিলার কৃষি উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৬







Bengali (BD) ·
English (US) ·