আমদানি-রফতানির ঘাটতি পূরণে ব্যর্থ ‘রেকর্ড রেমিট্যান্স’

২ সপ্তাহ আগে
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়লেও এক মাসে রিজার্ভ কমেছে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। রফতানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে আমদানি চাপ বেড়ে যাওয়াকে কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এদিকে, গত মাসে আকু বিল পরিশোধের মতো কোনো বড় ধরনের বৈদেশিক দায় মেটাতে হয়নি বাংলাদেশ ব্যাংকে। এমন অবস্থায় আগামী মাসের শুরুতে আকুর ১ বিলিয়ন বিল পরিশোধের কথা রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গ্রস হিসাবে রোববার (২৯ মার্চ) দিন শেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার।


আইএমএফের বিপিএম সিক্স পদ্ধতিতে ২৯ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার। একই সময় রেমিট্যান্স প্রবাহও ইতিবাচক। শুধুমাত্র এপ্রিলের ২৮ দিনে দেশে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ বা ৩.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ। তবে রফতানি ও রেমিট্যান্স আমদানি ব্যায়ের ঘাটতি পূরণ করতে পারেনি।


আরও পড়ুন: টানা ১০ দিন পর ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু


বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারিতে গ্রস হিসাবে রিজার্ভ ছিলে ৩ হাজার ৫০৩ কোটি ১৪ লাখ ডলার বা ৩৫ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার। একই মাসে আইএমএফের বিপিএম সিক্স পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৭ কোটি ৯৪ লাখ ডলার বা ৩২ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে গত এক মাস দুদিনের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে গ্রস হিসাবে ১০৩ কোটি ৬৫ লাখ ডলার বা ১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন