গত ৩ এপ্রিল বিকেল ৫টা ২৩ মিনিটে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের নূরবাগ এলাকায় বাসায় ফিরছিলেন এক আবাসন ব্যবসায়ী। পেছন থেকে মোটরসাইকেলে তাকে অনুসরণ করে দুইজন। একজন অস্ত্র বের করতেই টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। এরপর মোটরসাইকেল থেকে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান তিনি। তবে এমন প্রকাশ্য ঘটনায়ও কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসেনি।
ভুক্তভোগী জানান, আমার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। চাঁদা না দেয়ায় বারবার ফোন করে হুমকি দেয়া হয় এবং দেখা হলেই গুলি করার ভয় দেখানো হয়।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে সক্রিয় ১১৮ কিশোর গ্যাং, বাড়ছে হত্যাকাণ্ড-ছিনতাই
একই এলাকার গোড়ান টেম্পো স্ট্যান্ডে ডিশ ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর কাছ থেকেও শীর্ষ সন্ত্রাসীর পরিচয়ে চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে দলবল নিয়ে হামলা চালানো হয় এবং ডিশ লাইনের তার কেটে দেয়া হয়। ভুক্তভোগীরা জানান, চাঁদা আদায়ের জন্য নানা অজুহাতে ভয় দেখানো হয়। টাকা না দিলে রক্তাক্ত ভিডিও ও ছবি পাঠিয়ে আতঙ্ক তৈরি করা হয়। অনেক সময় সরাসরি অস্ত্রের ভয়ও দেখানো হয়।
শুধু এই ঘটনাই নয়, একের পর এক ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন খিলগাঁও এলাকার ব্যবসায়ীরা। অভিযোগ রয়েছে, শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সেকেন্ড ইন কমান্ড শুটার তারিফের নেতৃত্বে খিলগাঁও এলাকায় নিয়মিত চাঁদাবাজি চলছে। এ চক্রের ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
এক ভুক্তভোগী বলেন, ফোনে হুমকি দিয়ে ব্যবসার ক্ষতি করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে আরও চাপ ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার পরও পরিস্থিতি বদলায়নি, বরং হুমকির মাত্রা আরও বেড়েছে।
আরেক ভুক্তভোগী বলেন, এই এলাকায় একটি বড় গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে, যাদের সঙ্গে শতাধিক অনুসারী আছে বলে জানা যায়। তারা অস্ত্রধারী এবং অতীতে একাধিকবার অস্ত্রসহ আটক হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বড় সন্ত্রাসী চক্রের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও রয়েছে।
শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান ও তার সহযোগীদের চাঁদাবাজিতে খিলগাঁও, গোড়ানসহ মতিঝিল বিভাগের বিভিন্ন এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। শুধু এই এলাকাই নয়, পুরো রাজধানীজুড়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী পরিচয়ে একের পর এক চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে রাজধানীর মহাখালী টিভি গেইট এলাকা, যা হাসপাতাল পাড়া হিসেবে পরিচিত-সেখানেও টেন্ডারকে কেন্দ্র করে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নজর পড়েছে বলে জানা যায়। ক্যান্সার, বক্ষব্যাধি ও গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল ঘিরে বড় অঙ্কের টেন্ডার দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: আবারও বেড়েছে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
মতিঝিল এলাকায় যেখানে শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের নাম আতঙ্ক হিসেবে পরিচিত, ঠিক একইভাবে মহাখালী, বনানী ও গুলশান এলাকায় আরেকটি গ্রুপকে ঘিরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি টেন্ডার না পাওয়াকে কেন্দ্র করে এক চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে।
গত ২০ এপ্রিল জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আহমেদ হোসেন অফিস শেষে বাসায় ফেরার পথে হামলার শিকার হন। দুই মুখোশধারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, টেন্ডার না পেয়েই এই হামলা ঘটে।
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মোস্তফা আজিজ সুমন বলেন, ভয় দেখানোর মাধ্যমে একটি চাপ তৈরি করা হচ্ছে। তবে এ ধরনের ভীতি দেখিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে সরানো সম্ভব নয়। আমরা আমাদের অবস্থানে থেকে কাজ চালিয়ে যাব এবং এসব বিষয়ে কঠোর অবস্থান বজায় রাখব।
শুধু ক্যান্সার হাসপাতালই নয়, পাশের জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালেও একই ধরনের পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, টেন্ডার সংক্রান্ত বিরোধে এই হাসপাতালের দুই কর্মকর্তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় আতঙ্কে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন বলেও জানা যায়।
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসেন ভুঁঞা বলেন, কিছুদিন আগে হাসপাতালের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। বাসা থেকে হাসপাতালে আসার পথে তাকে রড দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে আনসার সদস্যদের সহায়তায় দ্রুত উদ্ধার করা হয়, ফলে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ক্যান্সার, বক্ষব্যাধি ও গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল ঘিরে প্রতি বছর প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকার টেন্ডার কার্যক্রম হয়। এসব টেন্ডারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর আশপাশে ফুটপাতে অবৈধভাবে দোকান বসিয়ে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, নিরাপত্তা জোরদার না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে। এজন্য তারা স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন। জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন বলেন, স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন হলে এসব ঘটনার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে রাজধানীর আরেকটি অপরাধপ্রবণ এলাকা মিরপুরেও একই ধরনের সহিংসতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই এলাকায় আতঙ্কের নাম চার শীর্ষ সন্ত্রাসীর ফোর স্টার গ্রুপ। গত ১৮ এপ্রিল মিরপুরর-১৩ এর বাইশটেকী এলাকায় এক তৈরি পোশাক কারখানায় হামলা দেয় সন্ত্রাসীরা। ফোর স্টার গ্রুপের কথা বলে ১ কোটি টাকা চাঁদা চায় তারা। ভয় দেখাতে মালিককের দুই পাশে গুলি করে পালিয়ে যায় তারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, কারখানায় কাজ চলাকালীন হঠাৎ সন্ত্রাসীরা এসে চাঁদা দাবি করে। দাবি না মানায় গুলি চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। তাদের অভিযোগ, এ ধরনের ঘটনার কারণে ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ছে এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা।
শুধু তৈরি পোশাক কারখানা নয়, একই ধরনের সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীর রিকশার গ্যারেজ ও ব্যাটারির কারখানাগুলোতেও। চাঁদা না দেয়ায় গ্যারেজ ম্যানেজারকে কুপিয়ে জখম করার পাশাপাশি দোকান ভেঙে ব্যাটারিও লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীরা বলেন, যদি বাঁচতে চাস তাইলে ২ লাখ টাকা রাখিস। পরেরবার আবার আসবো- এ কথা বলে সন্ত্রাসীরা চলে যায়। পরে দেখা যায়, ব্যাটারিগুলো ভেঙে ভেতর থেকে সব নিয়ে গেছে তারা।
মিরপুরের ২২ টিকি এলাকার প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই চাঁদা দাবি করা হয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসী পরিচয়ে। চাঁদা না পেলে ক্যাডাররা গুলি, কোপানো এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে।
এমন একের পর এক ঘটনায় অতিষ্ঠ এসব এলাকার ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, ফোর স্টার গ্রুপের মতো চক্রের সদস্যদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। একের পর এক খুন-ছিনতাইয়ে আলোচিত মোহাম্মদপুরও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত বছর আবাসন প্রতিষ্ঠানে পরপর গুলি ও জোড়া খুনের ঘটনায় জামিনে বের হওয়া পিচ্চি হেলালের নাম উঠে আসে।
আরও পড়ুন: ঢাকার সন্ত্রাসীদের হাতে গুপ্ত অস্ত্র ‘পেন গান’!
চলতি বছরেও মোহাম্মদপুরে জোড়া খুন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ফুটপাতের চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের এসব ঘটনায় পিচ্চি হেলালকেই সন্দেহ করছে পুলিশ। স্থানীয়রা বলছেন, বেড়িবাঁধ এলাকাটা মোহাম্মদপুর থেকে নিয়ে পুরো রাস্তাজুড়েই মাঝে মাঝে এমন ঘটনা ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো না। এদের ধরতে হবে। যারা মদদ দিচ্ছে, যারা শেল্টার দিচ্ছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনা দরকার।
শুধু ব্যবসায়ীদের গুলি-কুপিয়েও শান্ত হচ্ছে না আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড। ফিরছে আন্ডারওয়ার্ল্ডের পুরোনো আতঙ্ক। ক্ষমতার পালাবদলের পর এসব সন্ত্রাসী নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় বদলে ফেলেছে। আধিপত্য ফিরে পেতে নিজেদের মধ্যেও বিরোধে জড়িয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা। গত বছর তারেক সাইফ মামুনের পর এবার হত্যা করা হয়েছে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী নঈম আহমেদ টিটনকে। এ ঘটনায় এক পক্ষ ইমনকে দায়ী করলেও অপরপক্ষ পিচ্চি হেলালকে দোষারোপ করছে।
ইমামুল হোসেন পিচ্চি হেলাল মুঠোফোনে বলেন, টিটনের শত্রু কে টিটনই বলে গেছে। ইমন তাকে মারতে চায়। এর মধ্যে আমাকে আসামি করা হচ্ছে কেন? ওর বোন ও বোন জামাই দুইজনই চায় ও মারা যাক।
নিহত টিটনের ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন বলেন, টিটন আমাকে জানিয়েছিল পিচ্চি হেলাল তার বিরুদ্ধে হত্যার নীলনকশা করছে। আমাদের পারিবারিক কোনো দ্বন্দ্ব নেই। পিচ্চি হেলাল এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তা প্রকৃত ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা।
গত তিন মাসে রাজধানীতে সংঘটিত অর্ধশতাধিক খুন, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজির ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এসব ঘটনায় জিসান, ইমন, পিচ্চি হেলাল, কিলার আব্বাস, মফিজুর রহমান মামুনসহ অন্তত ১০ শীর্ষ সন্ত্রাসীর নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব চক্র শতাধিক ক্যাডারের মাধ্যমে রাজধানীতে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
এদের তৎপড়তায় আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, কয়েকজন লোক এসে গুলি করে যাচ্ছে; আবার খালি গুলিও ছুড়ে যাচ্ছে। এতে পুরো এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে-এত গুলি কোথা থেকে আসে, কেউ জানে না।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে ১১০ জন সন্ত্রাসী। এর মধ্যে ওয়ারী বিভাগে ২৯ জন, মিরপুরে ২৪ জন এবং লালবাগে ১৭ জন সক্রিয় রয়েছে বলে জানা গেছে। তালিকা ধরে চলতি মাসেই যৌথ অভিযান শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে ডিএমপি।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবিসহ বিভিন্ন বাহিনী সমন্বয়ে সারাদেশে যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি চলছে। দ্রুতই এর সুফল পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন: মোহাম্মদপুর যেন ‘অপরাধের রাজধানী’, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে বাড়ছে চুরি-ছিনতাই ও খুন
অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, শীর্ষ সন্ত্রাসীরা সব সময়ই কোনো না কোনো রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপরাধ কার্যক্রম চালিয়ে থাকে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এসব গোষ্ঠীর অবস্থান ও প্রভাবের ধরনও পরিবর্তিত হয়।
সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, সরকার ও অপরাধমূলক কাঠামোর মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে অতীত ও বর্তমান-দুই সময়কাল আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। মাঠপর্যায়ে নানা ধরনের অভিযোগ ও ফিসফিসানি শোনা যাচ্ছে, যা উপেক্ষা করা উচিত নয়। সরকার প্রধানের অবস্থান হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকে ছাড় না দেয়া। সেটি বাস্তবায়ন করতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতাসীনদের পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে এসব অপরাধী আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। তাই এখনই তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
]]>
১ ঘন্টা আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·