শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর রাতে ভাংচুর শেষে আন্দোলনকারী চলে যান। সকালে সাধারণ মানুষ যে যেভাবে পারছেন ইট ও রড নিয়ে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে বুলডোজার নিয়ে এসে নগরীর কুমারপাড়ায় অবস্থিত আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙা শুরু হয়। এরপর ঘণ্টাখানেক সময় ধরে প্রথমে একটি বুলডোজার দিয়ে দোতলা অফিস ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর আড়াইটার দিকে আরও একটি বুলডোজার নিয়ে এসে ভাঙার কাজ শুরু হয়। এসময় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
এর আগে হাদি হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে রাত ১১টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিছিল বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে এসে অবস্থান নেয়। এসময় তারা আওয়ামী লীগ ও ভারত-বিরোধী নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
আরও পড়ুন: ৭ দিনের সখ্যে হাদিকে হত্যার মিশন বাস্তবায়ন, যেভাবে দেশ ছাড়ে ফয়সাল
একই সময় রাজশাহীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে এনসিপি ও জুলাই ৩৬ মঞ্চের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।
পরে বুলডোজার দিয়ে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুর করা হয়।

৪ সপ্তাহ আগে
৬








Bengali (BD) ·
English (US) ·