আইসিসি ছাড়ছেন ওয়াসিম খান

১ সপ্তাহে আগে
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রশাসনে আবারও বড় পরিবর্তনের আভাস মিলল। আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার (ক্রিকেট) থেকে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন ওয়াসিম খান।

চার বছর দায়িত্ব পালনের পর আগামী জুনের শেষে পদ ছাড়বেন তিনি। এরপর জুলাই থেকে নতুন কোনো ভূমিকায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

 

২০২২ সালের মে মাসে জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেন ওয়াসিম খান। এর আগে এই পদে ছিলেন জিওফ অ্যালারডাইস, যিনি পরে আইসিসির প্রধান নির্বাহী (সিইও) হন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান নির্বাহী হিসেবে প্রায় তিন বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে আইসিসিতে যোগ দেন ওয়াসিম।

 

গত দুই বছরে আইসিসির একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা সংস্থা ছেড়েছেন। অ্যালারডাইসের জায়গায় নতুন সিইও হয়েছেন সঞ্জোগ গুপ্ত। এছাড়া ইভেন্টস প্রধান ক্রিস টেটলি এবং দুর্নীতি দমন ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালও বিদায় নিয়েছেন। তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন যথাক্রমে গৌরব সাক্সেনা ও অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ।

 

আরও পড়ুন: ক্রিকেটে নতুন কেলেঙ্কারি, বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের নেপথ্যে ভারতীয় গ্যাংস্টার!

 

ওয়াসিম খানের সময়কার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচির চাপ। ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি ও টি-টেন লিগের বিস্তারে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ছিল।

 

তবে তার দায়িত্বকালেই চূড়ান্ত হওয়া ২০২৩–২০২৭ সালের ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রামে (এফটিপি) আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা উল্টো বেড়েছে। একই সময়ে প্রথমবারের মতো নারীদের জন্য আলাদা এফটিপিও চালু করা হয়, যা প্রশাসনিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

খেলোয়াড় হিসেবেও একসময় পরিচিত ছিলেন ওয়াসিম খান। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত প্রথম মুসলিম ক্রিকেটারদের একজন, যিনি কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছেন। ১৯৯০ এর দশকে ওয়ারউইকশায়ার-এর হয়ে খেলেন তিনি। এছাড়া সাসেক্স ও ডার্বিশায়ার-এর হয়েও মাঠে নামেন।

 

আরও পড়ুন: যে মাটিতে উত্থান, সেই মাটি ছুঁয়েই বিদায় নিলেন রুবেল

 

বাঁহাতি এই ব্যাটার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৫৮টি ও লিস্ট ‘এ’তে ৩০টি ম্যাচ খেলেছেন। ১৯৯৫ সালে ওয়ারউইকশায়ারের শিরোপাজয়ী দলে ছিলেন তিনি, সে মৌসুমে তার গড় ছিল প্রায় ৫০।

 

খেলা ছাড়ার পর প্রশাসনিক ভূমিকায়ও সফলতা দেখিয়েছেন ওয়াসিম। লিসেস্টারশায়ারের প্রধান নির্বাহী হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া ক্রিকেট ফাউন্ডেশনে দায়িত্ব পালনকালে ‘চ্যান্স টু শাইন’ প্রকল্পকে যুক্তরাজ্যের অন্যতম বড় ক্রিকেটভিত্তিক সামাজিক কর্মসূচিতে পরিণত করতে ভূমিকা রাখেন।

 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন