ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে বিশাল বাহিনী পাঠানো এবং ইরানের উপর সম্ভাব্য কয়েক সপ্তাহব্যাপী বিমান হামলার প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু তিনি মার্কিন জনসাধারণের কাছে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেননি যে, কেন তিনি ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সবচেয়ে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
ট্রাম্পের ইরানের প্রতি আকৃষ্টতা তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম ১৩ মাসে তার এজেন্ডার শীর্ষে থাকা বৈদেশিক নীতি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা জীবনযাত্রার ব্যয়ের মতো অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোকে ছাপিয়ে গেছে।
আরও পড়ুন:আগামী মাসে তিন দিনের চীন সফর করবেন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউজ
অথচ জনমত জরিপে দেখা যায় যে, সেখানকার জনগণ বেশ গুরুত্ব দিয়ে অর্থনৈতিক বিষয়গুলো ভাবছেন
হোয়াইট হাউসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্পের যুদ্ধবাজ বক্তব্য সত্ত্বেও, ইরানের উপর আক্রমণ চালানোর জন্য প্রশাসনের মধ্যে এখনও কোনো ‘ঐক্যবদ্ধ সমর্থন’ নেই।
ট্রাম্পের সহযোগীরা অর্থনীতির বিষয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ‘সিদ্ধান্তহীন ভোটারদের’ কাছে যাতে কোনো অস্পষ্ট বার্তা না যায় সে ব্যাপারে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই কর্মকর্তা রয়টার্সকে এসব কথা বলেছেন।
হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা এবং রিপাবলিকান প্রচারণা কর্মকর্তারা চান ট্রাম্প অর্থনীতির উপর মনোযোগ দিন, এই সপ্তাহে অসংখ্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের সাথে এক ব্যক্তিগত ব্রিফিংয়ে প্রচারণার শীর্ষ বিষয় হিসেবে এই বিষয়টির উপর জোর দেয়া হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত একজন ব্যক্তির মতে এসব জানা গেছে। ট্রাম্প সে সময় উপস্থিত ছিলেন না।
নভেম্বরের নির্বাচনই নির্ধারণ করবে যে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে কিনা। বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের কাছে একটি বা উভয় কক্ষের পরাজয় ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতিত্বের শেষ বছরগুলোতে একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে, বলছে প্রতিবেদন।
আরও পড়ুন:কাতার ও বাহরাইন থেকে কয়েকশ সেনা সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র
রিপাবলিকান কৌশলবিদ রব গডফ্রে বলেছেন, ইরানের সাথে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ট্রাম্প এবং তার সহকর্মী রিপাবলিকানদের জন্য উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক বিপদ ডেকে আনতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·