নতুন নিয়মকানুন নিয়ে আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সাম্প্রতিক রেসে অষ্টম স্থান অর্জন এবং কোয়ালিফাইংয়ে কিউ২ থেকেই ছিটকে পড়া তার হতাশা আরও বাড়িয়েছে। যদিও রেড বুল রেসিংয়ের সঙ্গে তার চুক্তির এখনও দুই বছর বাকি, তবুও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছেন তিনি।
ভার্স্টাপেন বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি সুখী। কিন্তু যখন ২২-২৪টা রেস খেলতে হয়, তখন ভাবতে হয়, এটা কি সত্যিই মূল্যবান? নাকি পরিবারের সঙ্গে বেশি সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে থাকা ভালো? যখন খেলাটা উপভোগই করতে পারছো না, তখন প্রশ্নটা আসবেই।’
ডাচ গণমাধ্যমে তার অবসর নিয়ে খবর প্রকাশের পর এই মন্তব্য করেন তিনি। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, তার হতাশা দলের পারফরম্যান্সের কারণে নয়, বরং নতুন গাড়ির নিয়মের কারণে, যাকে তিনি ‘অ্যান্টি-রেসিং’ বলে উল্লেখ করেছেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী সোমবার ক্রীড়াভাতা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘আমি সহজেই মেনে নিতে পারি যে আমি সপ্তম বা অষ্টম অবস্থানে আছি। সবসময় জেতা বা পডিয়ামের জন্য লড়াই করা সম্ভব নয়—এটা আমি বুঝি। কিন্তু যখন তুমি সপ্তম বা অষ্টম স্থানে থেকেও পুরো রেসিং অভিজ্ঞতাটা উপভোগ করতে পারছো না, তখন সেটা একজন ড্রাইভারের জন্য স্বাভাবিক লাগে না।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু যেভাবে এখন রেস করতে হয়, সেটা আনন্দদায়ক নয়, বরং ড্রাইভিংয়ের বিপরীত। একসময় এটা এমন জায়গায় পৌঁছায়, যেখানে মনে হয় এটা আর আমি করতে চাই না।’
আরও পড়ুন: উল্টে গেল ‘নেশাগ্রস্ত’ টাইগার উডসের গাড়ি, গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি
ভার্স্টাপেন জোর দিয়ে বলেন, বিষয়টা টাকার নয়, বরং তার ভালোবাসা ও আবেগের। তার ভাষায়, ‘অনেক টাকা উপার্জন করা সম্ভব, ভালো কথা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটা টাকার ব্যাপার না। এটা সবসময়ই আমার প্যাশন ছিল।’
আগামী এক মাসকে তার ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধরা হচ্ছে, কারণ ফর্মুলা ওয়ান কিছুদিনের বিরতিতে যাচ্ছে। পরবর্তী রেস অনুষ্ঠিত হবে মায়ামিতে, যা হয়তো তার ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

২ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·